1. admin@dhupchaya.com : admin :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাগেরহাটের কচুয়ায় জাতীয় যুব দিবস পালিত সনদ ও যুব ঋণের চেক বিতরণ রূপসা কলেজের প্রভাষক দু/র্বৃত্তের গু/লিতে আহত হওয়ায় বিচারের দাবিতে মানববন্ধন প্রধানমন্ত্রী খুলনায় আগমন উপলক্ষে রূপসায় প্রস্তুতি সভায় এমপি হেলাল রূপসায় প্রেস ব্রিফিংএর মাধ্যমে চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা আলহাজ্ব মো. মহিউদ্দিন শেখের অবশেষে ধরা পড়লেন দক্ষিণের ‘মা/দক সম্রাজ্ঞী’ চম্পা, আমতলীতে স্বস্তির হাওয়া বাগেরহাটে বাংলালিংক কর্মীকে কু/পিয়ে লক্ষাধিক টাকা ছিন/তাই আমতলীতে মা/দক ব্যবসায়ী, সহযোগী ও পৃষ্ঠপোষকতাকারীকে গ্রে/ফতার ফাউন্ডেশনের ৯৫তম বোর্ড সভার দিকে তাকিয়ে ৭৪৫ কর্মী: চাকরি স্থায়ীকরণ ও বকেয়া সুবিধার দাবি সাপাহারে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত খুলনা বিভাগে ডেঙ্গু ও হামে একদিনে ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৫০

অনাবৃষ্টিতে শুকোচ্ছে ক্ষেত: বরগুনায় ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কায় দিশেহারা কৃষক, খাল খননের দাবি

ধুপছায়া ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক | পাথরঘাটা (বরগুনা)

দীর্ঘদিন ধরে কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা নেই। প্রখর রোদ আর তীব্র তাপদাহে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাঁঠালতলী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কিরনপুর গ্রামের ফসলি জমি ফেটে চৌচির হয়ে পড়েছে। পানির তীব্র অভাবে সোনালী স্বপ্নের সবুজ ধানক্ষেত শুকিয়ে লালচে ও বিবর্ণ হয়ে উঠছে। শেষ পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত ফলন মিলবে কি না—তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা ও দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় কৃষকেরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, দিগন্তবিস্তৃত মাঠজুড়ে আমন ধানক্ষেত থাকলেও পর্যাপ্ত পানির অভাবে অনেক স্থানেই ধানের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে। খরা থেকে ফসল বাঁচাতে কৃষকেরা কৃত্রিম উপায়ে সেচ দেওয়ার চেষ্টা করলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় একেবারেই অপ্রতুল। সেচ বাবদ অতিরিক্ত ব্যয় হওয়ায় ফসল কেটে উৎপাদন খরচ তোলা নিয়েই ঘোর সংশয় দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, এলাকায় পর্যাপ্ত জলাধার ও খাল না থাকায় এবং বিদ্যমান খালগুলো ভরাট হয়ে যাওয়ায় অনাবৃষ্টির সময় বিকল্প সেচের কোনো সুযোগ থাকছে না। মাঠের ফসল বাঁচাতে মো; নাঈমুর রহমান নামে একজন কৃষক শ্রমিক সহ স্থানীয়রা তারা অবিলম্বে খাল খনন ও পুর্নখননের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় একাধিক কৃষক আক্ষেপ করে জানান, “ধান গাছের এই বাড়ন্ত সময়ে পর্যাপ্ত পানি অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু কিছুদিন ধরে বৃষ্টি না থাকায় ক্ষেতের মাটি শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে, ধানের পাতাও লালচে হতে শুরু করেছে। খালগুলো যদি পুনঃখনন করা থাকত, তবে এমন বিপদে নদী বা খাল থেকে পানি এনে সেচ দেওয়া যেত। এখনই মুষলধারে বৃষ্টি না হলে কিংবা বিকল্প পানির ব্যবস্থা না করা গেলে এবার ফলনে ভয়াবহ ধস নামবে।”

কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, তীব্র খরা ও অনাবৃষ্টির কারণে ধানগাছের স্বাভাবিক খাদ্য গ্রহণ প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। এর ফলে পাতা বিবর্ণ ও লালচে হতে শুরু করে এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে ফলন আশঙ্কাজনকভাবে কমে যায়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কৃষি বিভাগের মাঠপর্যায়ের তদারকি বৃদ্ধি, কৃষককে কারিগরি পরামর্শ প্রদান এবং দ্রুত খাল খননের মাধ্যমে স্থায়ী সেচ ব্যবস্থা গড়ে তোলার তাগিদ দিয়েছেন তারা।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
উপদেষ্টা মন্ডলী-এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পি,  প্রকাশক-ডিকে মন্ডল, সম্পাদক ডাঃ খাঁন মোঃ শফিকুল ইসলাম, সহ-সম্পাদক-ডাঃ মোঃ  আনিসুজ্জামান, আইন বিষয়ক সম্পাদক-এ্যাড. মুজাহিদুল ইসলাম,স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক -ডাঃ বিজন বিশ্বাস  রেজিষ্ট্রেশন নং-খুলনা-৪৬৫, অফিস ৩০০/১খানজাহান আলী রোড়, খুলনা। বানিজ্যিক কার্যালয়-রূপসা সদর, খুলনা ০১৮১৯-০১৬৩৪২।© স্বত্ব সংরক্ষিত © ধুপছায়া
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park