
তেরখাদা প্রতিনিধিঃ উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে অবশেষে তেরখাদা উপজেলার পাতলা শ্মশান ঘাট কমিটির সৃষ্ট দ্ব/ন্দের অবসান ঘটেছে। সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি তেরখাদার পাতলা শ্মশান’ ঘাট কমিটি নিয়ে বিবদমান দু’টি গ্রুপের মধ্যে হা/ম/লা, মাম/লা ও সং/ঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনা নিয়ে নতুন করে আবারও দুটি গ্রুপ সংঘ/বদ্ধ হচ্ছিলো। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম নুরুন্নবী অবহিত হওয়ার পর সং/ঘাত সংঘ/র্ষের দিকে না গিয়ে মিমাংসার জন্য উভয় পক্ষকে নির্দেশনা প্রদান করেন। অবশেষে বিষয়টি নিরসনের লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গত ২৯ এপ্রিল বিকেল ৪টার দিকে ইন্দুহাটি এস এন সি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে এলাকাবাসী ও উভয় পক্ষের লোকদের সমন্বয়ে সালিসী বৈঠক বসে। উপজেলা নিবাহী অফিসার মিজ তাহমিনা সুলতানা নীলা এর সভাপতিত্বে এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার এস এম নুরুন্নবী এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন এবং উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক চৌধুরী কাওছার আলী, নর্থ খুলনা কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মনিরুল হক মন্টু, প্রধান শিক্ষক মোঃ ইকরাম হোসেন জমাদ্দার, সাবেক শিক্ষক নৃপেন্দ্র কুমার সিকদার, প্রফেসর পার্থ রঞ্জন সিকদার, এড. বিশ্বজিৎ সিকদার, সহকারী অধ্যাপক সংকর কুমার বিশ্বাস, স্বপন বিশ্বা সহকারী অধ্যাপক প্রসেন বিশ্বাস, সহকারী অধ্যাপক পঞ্চানন বালা, সাবেক চেয়ারম্যান যথাক্রমে এড. এ বি এম আলমগীর সিকদার ও মোঃ শাহজাহান আলী, ইন্দুহাটী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনাদী কুমার মজুমদার, তেরখাদা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম মফিজুল ইসলাম জুম্মান, প্রভাষক বিপ্লব কুমার সিকদার, শিক্ষক স্বপন কুমার বিশ্বাস ও সমাজসেবক শেখ আকবর আলী। সভায় শান্তিপূর্ণ মিমাংসা শেষে সকলের উপস্থিতিতে একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, সকলেই সহাবস্থানে থেকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করে সব ধরণের দ্ব/ন্দের অবসান ঘটাতে হবে। তিনি বলেন, শাশান কমিটি নিয়ে আর কোনো দ্ব/ন্দ সং/ঘাত ঘটালে উভয়ের পক্ষের লোকদেরকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টা/ন্ত মূলক শাস্তি প্রদান করা হবে।।