
ঢাকা প্রতিনিধি -রাসেল মিয়া
রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে দুটি যাত্রীবাহী লঞ্চের মধ্যে ভয়াবহ সং/ঘর্ষের ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন। প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে দু/র্ঘট/নায় জড়িত ‘এমভি আশা-যাওয়া-৫’ এবং ‘এমভি জাকির সম্রাট-৩’ লঞ্চ দুটির রুট পারমিট বা/তিল করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) নৌ-পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান গণমাধ্যমকে এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেন।
ঘটনার কারণ অনুসন্ধান ও দায়ীদের চি/হ্নিত করতে ইতিমধ্যে দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটি: বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (BIWTA) এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় আলাদাভাবে তদন্ত করবে।
সময়সীমা: আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী হুঁ/শি/য়ারি দিয়ে বলেন, “নৌপথে যাত্রী নিরাপত্তায় কোনো ধরনের অবহেলা বরদাশত করা হবে না। তদন্তে যারা দোষী প্রমাণিত হবেন, তাদের বিরুদ্ধে দৃ/ষ্টা/ন্তমূলক সর্বোচ্চ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
বুধবার বিকেলে যাত্রী ওঠানোর সময় সং/ঘটিত এই দু/র্ঘটনায় মো. সোহেল নামে এক যুবক প্রাণ হারান। এ সময় আরও বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হন।
আ/হতদের অবস্থা: আ/হতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান বর্তমানে শঙ্কামুক্ত রয়েছেন।
নি/খোঁজ উ/দ্ধার: দু/র্ঘটনাস্থল থেকে নি/খোঁজ এক ব্যক্তিকে উ/দ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের অভিযান বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পুনরায় জোরদার করা হয়েছে।
সহযোগিতা: নিহত ব্যক্তির পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে সরকার।
সামনে ঈদ এবং পোশাক কারখানার ছুটির কারণে সদরঘাটে যাত্রীদের বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নৌপথে জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।