
উজ্জ্বল মুন্সি, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি : বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলাধীন কচুপাত্রা বাজারে অবৈ/ধভাবে জমি দখল করার অপ/রাধে মো: খলিল মৃধা পিতা-মৃত ময়জদ্দিন মৃধা নামের এক ব্যক্তিকে ১৫ দিনের সশ্রম কারা/দণ্ড প্রদান করেছেন বিজ্ঞ আদালত।
আমতলী উপজেলার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব ইফতি হাসান ইমরান গত সোমবার (১০ আগষ্ট ) বিকেলে সরেজমিনে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে এই সংক্ষিপ্ত বিচার বা সামারি ট্রায়াল সম্পন্ন করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, তালতলী উপজেলার কচুপাত্রা গ্রামের বাসিন্দা মোসা: খালেদা বেগম এর জমি অ/বৈধভাবে দখল করে উক্ত জমিতে কান্দি কাটার অভিযোগে বিগত ১৪/০৫/২০২৬ খ্রি. তারিখ ভূমি অপ/রাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি (সি, আর ৬৩৩/২৬) মা/মলা দায়ের করেন।
অভিযোগকারী ভূমি অপ/রাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের আওতায় তার জমি উদ্ধারের দাবি জানান। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব ইফতি হাসান ইমরান ঘটনাস্থলেই সংক্ষিপ্ত বিচার করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
গত সোমবার বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬.৪৫ মিনিট পর্যন্ত সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জনাব ইফতি হাসান ইমরান সরেজমিনে গিয়ে সংশ্লিষ্ট বিরোধপূর্ণ জমিতে অবস্থান করেন। সেখানে উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে তাদের মৌখিক ও দালিলিক সাক্ষ্য গ্রহণ করেন, জমি মাপঝোঁক করান এবং উভয় পক্ষের কাগজ পত্র পযালোচনা করেন। সাক্ষ্যপ্রমাণ এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শনে অপ/রাধটি প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাৎক্ষণিকভাবে রায় ঘোষণা করেন।
বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট ভূমি অপ/রাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩-এর ৭ ধারায় অত্র মা/মলার ১ নং আ/সামি মো: খলিল মৃধা কে ১৫ দিনের সশ্রম কা/রাদণ্ড প্রদান করেন এবং অভিযোগকারী মোসা: খাদিজা বেগম কে বেদখল হওয়া জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. আবু বকর মোল্লা এই অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আদালতের এই সাহসী ও দ্রুত পদক্ষেপের ফলে দীর্ঘদিনের জমি সংক্রান্ত বিরোধের তাৎক্ষণিক নিষ্পত্তি সম্ভব হয়েছে। একজন বিচারক নিজে মাঠ পর্যায়ে গিয়ে সাধারণ মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার এই ঘটনা এলাকায় ব্যাপক প্রশংসিত ও আলোচিত হয়েছে এবং ভূমি দস্যুদের জন্য একটি কঠোর বার্তা হিসেবে ভবিষ্যতে কাজ করবে বলে মনে করছেন এলাকাবাসীরা।