
বরগুনা প্রতিনিধি:
বরগুনা সদর উপজেলার ১নং বদরখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো: গোলাম মোস্তফার ওপর সন্ত্রা/সী হাম/লার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল ৯নং ওয়ার্ডের চামিলি বাজারে কু/খ্যা/ত মা/দ/ক কারবারি ও কিশোর গ্যা/ং প্রধান কালু এবং তার অনুসারীরা এই নৃশং/স হা/মলা চালায়। পরবর্তীতে এই ঘটনার জেরে বিক্ষুব্ধ জনতার গণপিটুনিতে হাম/লাকারী কালু (৩০) ঘটনাস্থলেই নি/হত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বদরখালী ইউপির জনপ্রিয় প্যানেল চেয়ারম্যান মো: গোলাম মোস্তফা চামিলি বাজারে অবস্থানকালে পূর্ব শত্রু/তা ও মা/দক ব্যবসার বিরোধের জেরে কিশোর গ্যা/ং প্রধান কালু ও তার বাহিনী ধা/রালো অ/স্ত্র নিয়ে আচমকা তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। সন্ত্রা/সীরা তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি কু/পিয়ে রক্তাক্ত ও গুরুতর জখম করে।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় মোস্তফাকে উদ্ধার করে প্রথমে বরগুনা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধির ওপর এমন পৈশাচিক হা/মলার খবর ছড়িয়ে পড়লে পুরো বদরখালী ইউনিয়নে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। উত্তেজিত ও বিক্ষুব্ধ জনতা তাৎক্ষণিকভাবে ধাওয়া করে মাদ/ক ব্যবসায়ী ও স/ন্ত্রাসী কালুকে অবরুদ্ধ করে ফেলে। একপর্যায়ে গণপিটুনিতে ঘটনাস্থলেই কিশোর গ্যা/ং প্রধান কালুর মৃ/ত্যু হয়।
এলাকাবাসী ও সাধারণ জনগণ সমাজ থেকে কিশোর গ্যা/ং ও মা/দক কারবারিদের মূলোৎপাটনের জোর দাবি জানিয়েছেন। এই বর্বরোচিত হাম/লার তীব্র নিন্দা জানিয়ে স্থানীয়রা কালু বাহিনীর বাকি সদস্যদের দ্রুত গ্রেফ/তার ও দৃষ্টান্তমূলক শা/স্তির দাবি তুলেছেন।
পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। নিহত কালুর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।