
নিজস্ব প্রতিবেদক,বরিশাল, – সামাজিক প্রথা ও প্রথাগত সম্পর্কের বাইরে গিয়ে একে অপরকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া দুই তরুণীকে আ/ট/ক করেছে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতাল থেকে তাদের আট/ক করা হয়।
আট/ক/কৃতরা হলেন—বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার চাখার গ্রামের সেলিম সরদারের মেয়ে সুমা আক্তার (২৭) এবং টাঙ্গাইলের কালিহাতী থানার জব্বার মিয়ার মেয়ে হালিমা আক্তার (২০)। এর মধ্যে সুমা আক্তার বিবাহিত এবং এক সন্তানের জননী।
হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দেড় বছর আগে ‘টিকটক’ অ্যাপের মাধ্যমে পরিচয় হয় সুমা ও হালিমার। ভার্চুয়াল এই পরিচয় থেকে ঘনিষ্ঠতা এবং পরবর্তীতে স/ম/কামী প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তারা। সুমা দাবি করেন, তিনি তার স্বামীকে মৌখিকভাবে ডিভোর্স দিয়েছেন এবং হালিমার সাথেই বাকি জীবন কাটাতে চান।
মঙ্গলবার সুমা হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এ সময় তার সঙ্গী হালিমা সেখানে অবস্থান করছিলেন। হাসপাতালের বেডে তাদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা বিষয়টি লক্ষ্য করেন। একপর্যায়ে সুমার মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে আনসার সদস্যরা তাদের আ/টক করে মেডিকেল পুলিশ ইনচার্জের কাছে সোপর্দ করেন। পরে তাদের বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।
এ বিষয়ে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল মামুন জানান, জিজ্ঞাসাবাদের সময় ওই দুই তরুণী নিজেদের স/ম/কামী সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছেন। তবে এ ঘটনায় অভিভাবক পর্যায়ের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ না পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে জটিলতা রয়েছে।
সুমা আক্তারের পরিবারের সদস্যরা জানান, এই সম্পর্কের ফলে একটি সংসার এবং শিশুর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবেও ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।