1. admin@dhupchaya.com : admin :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাগেরহাটের কচুয়ায় জাতীয় যুব দিবস পালিত সনদ ও যুব ঋণের চেক বিতরণ রূপসা কলেজের প্রভাষক দু/র্বৃত্তের গু/লিতে আহত হওয়ায় বিচারের দাবিতে মানববন্ধন প্রধানমন্ত্রী খুলনায় আগমন উপলক্ষে রূপসায় প্রস্তুতি সভায় এমপি হেলাল রূপসায় প্রেস ব্রিফিংএর মাধ্যমে চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা আলহাজ্ব মো. মহিউদ্দিন শেখের অবশেষে ধরা পড়লেন দক্ষিণের ‘মা/দক সম্রাজ্ঞী’ চম্পা, আমতলীতে স্বস্তির হাওয়া বাগেরহাটে বাংলালিংক কর্মীকে কু/পিয়ে লক্ষাধিক টাকা ছিন/তাই আমতলীতে মা/দক ব্যবসায়ী, সহযোগী ও পৃষ্ঠপোষকতাকারীকে গ্রে/ফতার ফাউন্ডেশনের ৯৫তম বোর্ড সভার দিকে তাকিয়ে ৭৪৫ কর্মী: চাকরি স্থায়ীকরণ ও বকেয়া সুবিধার দাবি সাপাহারে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত খুলনা বিভাগে ডেঙ্গু ও হামে একদিনে ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৫০

​স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মেগা পরিবর্তন: দলীয় প্রতীক ও পোস্টারমুক্ত ভোটের পথে ইসি

ধুপছায়া ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬
  • ৮৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

​ধুপছায়া ডেস্ক :
চলতি বছরের শেষ দিকেই দেশজুড়ে শুরু হতে যাচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। তবে এবারের নির্বাচন প্রচলিত রূপ থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন হতে যাচ্ছে। জাতীয় নির্বাচনের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও একগুচ্ছ বড় ধরনের পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো— দলীয় প্রতীকের অবসান ঘটিয়ে সম্পূর্ণ নির্দলীয়ভাবে ভোট আয়োজন এবং নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টারের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা।
​আজ (২৯ মে) সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। জুনের মধ্যেই এই নির্বাচন বিধিমালার চূড়ান্ত কাজ শেষ হবে বলে আশা করছে কমিশন।
​বছরের শেষভাগেই ভোট, বর্ষা এড়াতে চায় কমিশন
​সম্প্রতি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে ভোট শুরুর আভাস দিয়েছিলেন। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী এক বছরের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশন—এই পাঁচ স্তরের নির্বাচন সম্পন্ন করার কথা রয়েছে।
​তবে আবহাওয়া ও বাস্তবতার নিরিখে সরকারের এই ভাবনার সাথে কিছুটা ভিন্নমত পোষণ করেছে ইসি। সেপ্টেম্বর-অক্টোবর পর্যন্ত দেশে বর্ষা মৌসুম ও বন্যা পরিস্থিতি থাকার কারণে কমিশন অক্টোবরের শেষ বা নভেম্বরের শুরুতে ভোট গ্রহণ শুরু করতে আগ্রহী।
​এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন:
​”সেপ্টেম্বরে দেশের অনেক অঞ্চলেই বর্ষার কারণে নির্বাচন করা কঠিন হবে। তাই আমার মনে হয় নভেম্বরের আগে নির্বাচন শুরু করা সম্ভব হবে না। বছরের শেষ দিকেই আমরা এর প্রস্তুতি নিচ্ছি। তবে কোন নির্বাচন আগে হবে, তা পরিস্থিতি বুঝে চূড়ান্ত করা হবে, যদিও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আগে হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।”
​যেসব বড় পরিবর্তন আসছে এবারের নির্বাচনে
​নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনকে আরও গ্রহণযোগ্য ও সংঘাতমুক্ত করতে বেশ কিছু নিয়মে আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে:
​দলীয় প্রতীক ও দলীয় প্রার্থী বাতিল: এবারের নির্বাচন হবে সম্পূর্ণ নির্দলীয়। কোনো দলীয় প্রতীক থাকবে না, প্রার্থীরা স্বতন্ত্র হিসেবে লড়বেন।
​১% ভোটারের সমর্থন বাতিলের সিদ্ধান্ত: স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য এর আগে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরের যে বাধ্যবাধকতা ছিল, তা তুলে দেওয়া হচ্ছে।
​পোস্টার ও ইভিএমের ব্যবহার নিষিদ্ধ: পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক চর্চার অংশ হিসেবে নির্বাচনী প্রচারণায় কোনো ধরনের পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না। পাশাপাশি ইভিএম (EVM) ব্যবহার না করে ব্যালট পেপারেই ভোট হবে।
​পোস্টাল ব্যালট ও অনলাইন মনোনয়ন বাতিল: দেশে বা বিদেশে থাকা ভোটারদের জন্য পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থা এবং অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সুযোগটি এবার থাকছে না।
​ফেরারি আ/সা/মিদের নিষে/ধাজ্ঞা: কোনো ফেরারি আ/সামি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।
​জামানত ও ব্যয় বৃদ্ধি: প্রার্থীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে জামানতের পরিমাণ এবং নির্বাচনী ব্যয় কিছুটা বাড়ানো হবে।
​নির্বাচনে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের (এমপি) প্রভাব বিস্তার রোধে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে ইসি। আইনি বিধিমালা অনুযায়ী, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও সরকারি সুবিধাভোগীরা কোনো প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালাতে পারেন না। এমপিদের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম কঠোরভাবে প্রযোজ্য হবে। তবে উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে তাদের বসার বিষয়ে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
​মাঠে থাকছে না সেনাবাহিনী, ভোট হবে ধাপে ধাপে
​প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে রক্ত/পাতহীন ও সং/ঘাতমুক্ত ভোট আয়োজনে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা কামনা করেছেন।
​নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সাধারণত বিপুল সং/ঘাতের আশ/ঙ্কা থাকে। তাই কৌশলগত কারণে এক দিনে সারা দেশে ভোট না করে ধাপে ধাপে বা বিভাগ ওয়ারী ভোট নেওয়া হবে। যেহেতু ধাপে ধাপে ভোট হবে, তাই পর্যাপ্ত পুলিশ ও নিজস্ব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে। আপাতত মাঠে সেনাবাহিনী নামানোর কোনো পরিকল্পনা ইসির নেই। তবে কোনো বিশেষ অঞ্চলে সহিং/সতা বেশি হলে পরবর্তী ধাপে সেখানে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হতে পারে।
​নির্বাচন কমিশনের এই সম্ভাব্য সংস্কারগুলোকে সাধুবাদ জানিয়েছেন নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা। নির্বাচন বিশেষজ্ঞ আব্দুল আলীম বলেন:
​”২০১৫ সালের আগে আমাদের দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয়ভাবেই হতো। আগের অবস্থানে ফিরে যাওয়ার এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত ইতিবাচক। এছাড়া ১% ভোটারের সমর্থনের বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া যৌক্তিক, কারণ এতে ভোটারের গোপনীয়তা রক্ষা পাবে। তবে প্রার্থীর সংখ্যা সামাল দিতে জামানত বাড়ানোর সিদ্ধান্তটি কাজে দেবে।”
​তিনি আরও যোগ করেন, জাতীয় নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও পোস্টার নিষি/দ্ধের এই সংস্কৃতি ধরে রাখা উচিত, যা আমাদের রাজনৈতিক আচরণে গুণগত পরিবর্তন আনবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
উপদেষ্টা মন্ডলী-এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পি,  প্রকাশক-ডিকে মন্ডল, সম্পাদক ডাঃ খাঁন মোঃ শফিকুল ইসলাম, সহ-সম্পাদক-ডাঃ মোঃ  আনিসুজ্জামান, আইন বিষয়ক সম্পাদক-এ্যাড. মুজাহিদুল ইসলাম,স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক -ডাঃ বিজন বিশ্বাস  রেজিষ্ট্রেশন নং-খুলনা-৪৬৫, অফিস ৩০০/১খানজাহান আলী রোড়, খুলনা। বানিজ্যিক কার্যালয়-রূপসা সদর, খুলনা ০১৮১৯-০১৬৩৪২।© স্বত্ব সংরক্ষিত © ধুপছায়া
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park