
প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
হবিগঞ্জের মাধবপুরে এক বাক্প্রতিবন্ধী কিশোরীকে (১৫) ঝাড়ফুঁক ও চিকিৎসার নামে কবিরাজ সেজে অচেতন করে ধর্ষ/ণের মাম/লার প্রধান আসা/মিকে গ্রে/প্তার করেছে র্যাব-৯। গ্রেপ্তা/রকৃত আসা/মির নাম আব্দুর রহিম (৩৫)। সে মাধবপুর উপজেলার খড়কী গ্রামের মৃত আরজু মিয়ার ছেলে।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৯-এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলার শায়েস্তাগঞ্জ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রে/প্তার করতে সক্ষম হয়।
মাম/লার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরীটি জন্মগতভাবেই বাক্প্রতিবন্ধী। বেশ কিছুদিন ধরে সে শারীরিক বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছিল। এই সুযোগে প্রতিবেশী আব্দুর রহিম নিজেকে বড় কবিরাজ দাবি করে এবং ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে তাকে সম্পূর্ণ সুস্থ করে তোলার আশ্বাস দেয়।
গত মে মাসে চিকিৎসার নাম করে ওই কিশোরীকে কৌশলে ঘরে ডেকে নেয় আব্দুর রহিম। সেখানে তাকে এক ধরনের নে/শা/জাতীয় বা অচেতন করার ওষুধ খাইয়ে দেওয়া হয়। কিশোরীটি অচেতন হয়ে পড়লে আব্দুর রহিম তাকে জোরপূর্বক ধ/র্ষণ করে।
ঘটনার পর কিশোরীটি অসুস্থ হয়ে পড়লে এবং পরিবারের কাছে আকার-ইঙ্গিতে বিষয়টি প্রকাশ করলে পরিবারের লোকজন ঘটনাটি জানতে পারেন। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যা/তন দমন আইনে একটি মা/মলা দায়ের করেন। মাম/লার পর থেকেই আসা/মি আব্দুর রহিম এলাকা ছেড়ে আত্ম/গোপনে চলে যায়।
মাম/লা দায়েরের পর থেকেই আসা/মিকে আইনের আওতায় আনতে ছায়া তদন্ত শুরু করে র্যাব-৯। এরই ধারাবাহিকতায়, র্যাব-৯ এর সিপিসি-১ (হবিগঞ্জ ক্যাম্প)-এর একটি বিশেষ দল তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় জানতে পারে যে, আসামি আব্দুর রহিম শায়েস্তাগঞ্জ এলাকায় আত্মগোপন করে আছে।
প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে র্যাবের দলটি শায়েস্তাগঞ্জ এলাকায় একটি ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করে পলাতক আ/সামি আব্দুর রহিমকে গ্রে/প্তার করতে সমর্থ হয়।
র্যাব-৯ এর গণমাধ্যম শাখা থেকে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তা/রকৃত আব্দুর রহিম কবিরাজ সেজে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষ/ণের কথা স্বীকার করেছে। গ্রেপ্তা/রের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে মাধবপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।