
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে চাঞ্চল্যকর মিন্টু শেখ হ/ত্যাকাণ্ডের মূলহোতাসহ এজাহারভুক্ত ১ ও ৩ নম্বর আসা/মিকে গ্রে/ফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। গতকাল রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানা এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রে/ফতার করা হয়।
র্যাব-৬ (সদর কোম্পানি) এবং র্যাব-২ (স্পেশাল কোম্পানি) এই যৌথ অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেফ/তারকৃত আসামিরা হলেন:
মহসিন হাওলাদার (৪০), পিতা- মৃত আলমগীর হাওলাদার (১নং আসামি)শিমুল মোল্লা (৫২), পিতা- মৃত শাহজাহান মোল্লা (৩নং আসামি) উভয়ের বাড়ি বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ থানায়।
মাম/লার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফ/তারকৃত আসা/মিদের বিরুদ্ধে মোড়েলগঞ্জের গোলাম রসুল এবং মানসুর শেখ নামের দুই ব্যক্তিকে হ/ত্যার অভিযোগ রয়েছে। ওই জোড়া খু/নের বিচারাধীন মা/মলায় ভিকটিম মিন্টু শেখ অন্যতম সাক্ষী ছিলেন। তিনি আদালতে আসা/মিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবেন—এমন খবর জানতে পেরে আসা/মিরা তাকে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে হুম/কি ও ভ/য়/ভীতি দেখিয়ে আসছিল।
আসা/মিপক্ষের শত বাধা ও হু/মকি সত্ত্বেও মিন্টু শেখ সাক্ষ্য দেওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন। এরই জেরে গত ১৮ মে, ২০২৬ তারিখ বিকেল আনুমানিক ৫টার সময় মোড়েলগঞ্জ থানার বৌলপুর গ্রামে লোকমানের বাড়ির পাশে কাঁচা রাস্তার ওপর মিন্টু শেখকে একা পেয়ে আসা/মিরা অতর্কিত হা/মলা চালায়। লোহার রড, ধারা/লো দা এবং চাপা/তিসহ দেশীয় অ/স্ত্র নিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কু/পিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর র/ক্তা/ক্ত জখম করা হয়।
মিন্টু শেখের চিৎকারে স্থানীয় আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃ/ত ঘোষণা করেন। এই নৃ/শং/স হ/ত্যা/কাণ্ডের পর নিহত মিন্টু শেখের ছোট ভাই মিজানুর রহমান বাদী হয়ে মোড়েলগঞ্জ থানায় একটি হ/ত্যা মাম/লা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকেই আসা/মিরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল।
র্যাব জানায়, অপ/রাধীদের আইনের আওতায় আনতে তারা গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল রাতে ঢাকা মহানগরীর মোহাম্মদপুর থানাধীন বেড়িবাঁধ তিন রাস্তার মোড় এবং বেড়িবাঁধ জনতা বাজার এলাকায় পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে এই দুই প্রধান আসা/মিকে গ্রেফ/তার করা হয়।
গ্রেফ/তা/রকৃত আসা/মিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মোহাম্মদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।