
ঢাকা- প্রতিনিধি – কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় কলেজ ছাত্র রাকিব হাসান হ/ত্যা/কাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এই হ/ত্যা/কাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে খুলনার কু/খ্যা/ত মা/দ/ক ব্যবসায়ী সাজিদের নাম উঠে এসেছে। স্ত্রীর সাথে রাকিবের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে সন্দেহের জেরে খুলনা থেকে ‘কিলিং মিশন’ পাঠিয়ে এই হ/ত্যা/কাণ্ড সম্পন্ন করা হয়।
বৃহস্পতিবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ এই ঘটনায় এ পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রে/প্তা/র করেছে। তারা হলেন শিহাব ও জয়: খুলনা থেকে গ্রে/প্তা/র।
রাফিন: ঘটনাস্থল থেকে তাৎক্ষণিক গ্রে/প্তা/র।
সাগর: পটুয়াখালী থেকে গ্রে/প্তা/র।
সালাউদ্দিন: গোপালগঞ্জ থেকে গ্রে/প্তা/র (অ/স্ত্র সরবরাহ ও সমন্বয়কারী)।তবে মূল শুটার আলামিনসহ আরও ৭-৮ জন এখনো প/লা/তক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তদন্তে জানা গেছে, নি/হ/ত রাকিব সোশ্যাল মিডিয়া ও টিকটকের জন্য নিয়মিত ভিডিও বানাতেন। সেই সুবাদে খুলনার মা/দ/ক ব্যবসায়ী সাজিদের স্ত্রী জান্নাত মুনের সাথে তার পরিচয় ও যোগাযোগ তৈরি হয়। সাজিদ এই সম্পর্ককে সন্দেহের চোখে দেখতেন এবং রাকিবকে এর আগে বেশ কয়েকবার হু/ম/কিও দিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত প্রতি/হিং/সা থেকেই ভাড়াটে খু/নি দিয়ে রাকিবকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার ছক কষেন সাজিদ।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, হ/ত্যা/র উদ্দেশ্যেই কিলার গ্রুপটি খুলনা থেকে ঢাকায় আসে। তারা ফকিরাপুল ও সোনারগাঁও হোটেলের মতো বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেয়। রাকিব প্রতিদিন রাতে শহীদ মিনারে টিকটক বানাতে যেতেন, সেই তথ্য আগে থেকেই সংগ্রহ করে খু/নি/রা।
ঘটনার দিন ৪ জন সরাসরি হা/ম/লায় অংশ নেয় এবং বাকিরা ব্যাকআপ হিসেবে চারপাশ ঘিরে রাখে।
প্রথমে চা/পা/তি ও চা/কু দিয়ে রাকিবকে কো/পা/নো হয় এবং মৃ/ত্যু নিশ্চিত করতে সবশেষে গু/লি চালানো হয়।
”গ্রে/প্তার/কৃতরা পেশাদার খুনি এবং অত্যন্ত দু/র্ধ/র্ষ। তারা টাকার বিনিময়ে যেকোনো বড় অ/প/রাধ করতে দ্বিধা করে না। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন অ/প/রাধ/মূলক কর্মকাণ্ডে এদের সম্পৃক্ততা রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত রোববার রাতে শহীদ মিনারে রাকিবের ওপর এই নৃ/শং/স হা/ম/লা চালানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, সাজিদসহ প/লা/তক অন্যান্য আ/সা/মিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।