
রাজবাড়ী প্রতিনিধি
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’ নামক একটি যাত্রীবাহী বাস উদ্ধারে ব্যাপক অভিযান শুরু হয়েছে। বুধবার বিকেল ৫টার দিকে বাসটি ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে তলিয়ে যায়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও ফায়ার সার্ভিস জানায়, বাসটিতে অর্ধশতাধিক যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনার পর ৫-৬ জন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও অধিকাংশ যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিস ও মানিকগঞ্জের ডুবুরি দল। বর্তমানে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ বাসটি শনাক্ত ও উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে।
রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মো. সোহেল রানা জানান, সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বাসটিকে পুরোপুরি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তীব্র স্রোত ও অন্ধকারের কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে।
গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) শরীফুল ইসলাম জানিয়েছেন:হাসপাতালে মোট ৩ জনকে আনা হয়েছিল।
২ জন নারীকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেছেন।১ জন বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
দু/র্ঘট/না থেকে বেঁচে ফেরা যাত্রী আইন উদ্দিন জানান, তিনি পরিবার নিয়ে সাভার যাচ্ছিলেন। তিনিসহ তার স্ত্রী ও ছেলে বেঁচে ফিরলেও মেয়েটি এখনো নিখোঁজ রয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী শাহজাহান শেখ জানান, বাসটি ফেরিতে ওঠার সময় হঠাৎ করেই নদীতে পড়ে যায়।
ঘটনার খবর পেয়ে দু/র্ঘট/নাস্থল পরিদর্শন করেছেন রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হারুন-অর রশীদ, জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ। তারা উদ্ধার অভিযান ত্বরান্বিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেছেন।