
নিজস্ব প্রতিবেদক -ঢাকা
জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের (JPUF) আওতাধীন প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র কর্মকর্তা-কর্মচারী সোসাইটি এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সোসাইটির বর্তমান নেতৃত্বের দূরদর্শী প্রচেষ্টায় দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত দাবিগুলো এখন বাস্তবায়নের পথে, যা প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসে এক বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
চাকরি স্থায়ীকরণ: নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার নতুন আশ্বাস সোসাইটির সম্মানিত, সভাপতি ও সিনিয়র সহসভাপতি ,সাধারণ সম্পাদক মহোদয়ের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সেবা কেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ীকরণের প্রক্রিয়াটি এখন চূড়ান্ত রূপ নিতে যাচ্ছে। মাঠ পর্যায়ে কর্মরত কর্মীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের এই উদ্যোগ তাদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, চাকরি স্থায়ী হলে কর্মীদের মধ্যে কর্মনিষ্ঠা ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি দায়বদ্ধতা আরও সুদৃঢ় হবে।
শ্রান্তি বিনোদন ভাতা: মানবিক কর্মপরিবেশের অঙ্গীকার
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানসিক ও শারীরিক ক্লান্তি দূর করে কাজে নতুন গতি ফেরাতে “শ্রান্তি বিনোদন ভাতা” চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সোসাইটি। এই পদক্ষেপকে একটি মানবিক ও আধুনিক কর্মপরিকল্পনা হিসেবে দেখছেন সাধারণ কর্মীরা। এটি বাস্তবায়িত হলে সেবার মান যেমন বাড়বে, তেমনি কর্মীদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের ভারসাম্য রক্ষা করা সহজ হবে।
অনুপ্রেরণার উৎস দক্ষ নেতৃত্ব
সোসাইটির সাধারণ সদস্যরা জানান, সভাপতি ও সিনিয়র সহসভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এর নিষ্ঠা এবং কর্মীদের কল্যাণে তাদের নিরলস পরিশ্রম আজ সফলতার দ্বারপ্রান্তে। তাদের এই দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণেই অসম্ভব কাজগুলো বাস্তবে রূপ নিচ্ছে, যা পুরো সংগঠনের জন্য একটি শক্তিশালী দৃষ্টান্ত। “আমাদের সুযোগ্য নেতৃত্বের এই সংগ্রাম ও আন্তরিকতা কেবল কর্মীদের অধিকার নিশ্চিত করছে না, বরং প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রগুলোকে আরও শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করাচ্ছে।” সোসাইটির সাধারণ কর্মীবৃন্দ।কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এই অগ্রযাত্রা ও জনকল্যাণমুখী উদ্যোগগুলো সফলভাবে বাস্তবায়িত হবে—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট সকলের।