
ধুপছায়া ডেস্ক দীর্ঘ ১৭ বছরের বৈষম্যের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছে ‘বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল’। এই মাহেন্দ্রক্ষণকে দেশের ফিজিওথেরাপি ও রিহ্যাবিলিটেশন পেশাজীবীদের জন্য এক যুগান্তকারী ও ঐতিহাসিক অধ্যায় হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। কাউন্সিলটি গঠিত হওয়ায় দীর্ঘদিনের পেশাগত স্বীকৃতির দাবি পূরণ হলো, যা দেশের স্বাস্থ্য ও পুনর্বাসন খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।
বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিলের এই আনুষ্ঠানিক অগ্রযাত্রায় গভীর সন্তোষ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন দেশের ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীরা।বিশেষ করে, ‘ফিজিওথেরাপিস্ট অব বাংলাদেশ’ (প্যাব)-এর পক্ষ থেকে গভীর ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা, সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী প্রফেসর ডাক্তার এ জেড এম জাহিদ হোসেন-কে। সংশ্লিষ্টরা জানান, তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রম ও দিকনির্দেশনায় এই কাউন্সিল আলোর মুখ দেখেছে।
একই সাথে, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে চলে আসা পেশাগত বৈষম্য দূর করে এই খাতকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি-র প্রতি চিরকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ। তারা বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং অবহেলিত এই পেশার প্রতি সদয় দৃষ্টির কারণেই আজ ফিজিওথেরাপি ও রিহ্যাবিলিটেশন সেক্টর বৈষম্যমুক্ত হয়ে আলোর মুখ দেখলো।
পেশাজীবী নেতৃবৃন্দের প্রতিক্রিয়া:“আলহামদুলিল্লাহ, আজ আমাদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হলো। ১৭ বছর ধরে আমরা যে বৈষম্যের শিকার ছিলাম, আজ সেখান থেকে মুক্তির আনন্দ পাচ্ছি। এই কাউন্সিল গঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশে ফিজিওথেরাপি ও রিহ্যাবিলিটেশন সেবার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত হবে এবং সাধারণ মানুষ সঠিক ও মানসম্মত পুনর্বাসন সেবা পাবেন।”
বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল চালুর মাধ্যমে এখন থেকে এই খাতের পেশাজীবীদের নিবন্ধন, শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণ এবং পেশাগত অধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।