1. admin@dhupchaya.com : admin :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাগেরহাটের কচুয়ায় জাতীয় যুব দিবস পালিত সনদ ও যুব ঋণের চেক বিতরণ রূপসা কলেজের প্রভাষক দু/র্বৃত্তের গু/লিতে আহত হওয়ায় বিচারের দাবিতে মানববন্ধন প্রধানমন্ত্রী খুলনায় আগমন উপলক্ষে রূপসায় প্রস্তুতি সভায় এমপি হেলাল রূপসায় প্রেস ব্রিফিংএর মাধ্যমে চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা আলহাজ্ব মো. মহিউদ্দিন শেখের অবশেষে ধরা পড়লেন দক্ষিণের ‘মা/দক সম্রাজ্ঞী’ চম্পা, আমতলীতে স্বস্তির হাওয়া বাগেরহাটে বাংলালিংক কর্মীকে কু/পিয়ে লক্ষাধিক টাকা ছিন/তাই আমতলীতে মা/দক ব্যবসায়ী, সহযোগী ও পৃষ্ঠপোষকতাকারীকে গ্রে/ফতার ফাউন্ডেশনের ৯৫তম বোর্ড সভার দিকে তাকিয়ে ৭৪৫ কর্মী: চাকরি স্থায়ীকরণ ও বকেয়া সুবিধার দাবি সাপাহারে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত খুলনা বিভাগে ডেঙ্গু ও হামে একদিনে ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৫০

​মিষ্টি কথায় কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া সেই ‘ফেরারি’ ইউসুফ জামাল গ্রে/ফ/তার

ধুপছায়া ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৫৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

​নিজস্ব প্রতিবেদক – নোয়াখালী
​মিষ্টি কথার জাদুতে মানুষকে ভুলিয়ে সর্বস্ব লুটে নেওয়ায় তার বিশেষ খ্যাতি ছিল। চার মামলায় সা/জা/প্রাপ্ত হওয়ার পর গত চার মাস ধরে তিনি ছিলেন পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে। অবশেষে সুকৌশলী সেই প্র/তা/রক ইউসুফ জামালকে (৪৮) গ্রে/ফ/তার করেছে নোয়াখালীর চরজব্বর থানা পুলিশ।
​গত ১লা এপ্রিল রাজধানী ঢাকার উত্তরার দক্ষিণখান এলাকার একটি গো/পন আস্তানা থেকে তাকে গ্রে/ফ/তার করা হয়। পরদিন তাকে মাইজদী জেলা জজ আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
​ঘটনার সূত্রপাত ২০১৭ সালে। লন্ডন প্রবাসী শাহাদাত হোসেনের কাছ থেকে তিন মাসের মধ্যে ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ৬৫ লক্ষ টাকা ধার নেন ইউসুফ জামাল। কিন্তু সময় গড়িয়ে বছর পার হলেও তিনি টাকা ফেরত দিচ্ছিলেন না। প্রায় দুই বছর নানা টালবাহানার পর ২০১৯ সালে ভুক্তভোগীকে সমপরিমাণ অর্থের চারটি চেক প্রদান করেন তিনি। কিন্তু সেই চেকগুলো ব্যাংকে জমা দিলে ডিজঅনার হয়, যা ছিল মূলত তার প্রতা/রণারই অংশ।
​মা/ম/লার রায় ও পলাতক জীবন
​প্রতা/রণার শিকার হয়ে শাহাদাত হোসেন ২০২০ সালে মাইজদী ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে মা/মলা দায়ের করেন। মা/মলাটি পরবর্তীতে জেলা দায়রা জজ আদালতে স্থানান্তরিত হয়। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর আদালত ইউসুফ জামালের বিরু/দ্ধে রায় প্রদান করেন।
​চারটি চেকে জালি/য়াতির দায়ে তাকে মোট তিন বছর ১০ মাসের কা/রা/দণ্ড প্রদান করা হয়। রায়ের পর থেকেই ইউসুফ জামাল আত্ম/গোপনে চলে যান। দীর্ঘ চার মাস পলা/তক থাকার পর প্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ তার অবস্থান শনাক্ত করে তাকে ধরতে সক্ষম হয়।
​পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইউসুফ জামাল একজন পেশাদার প্রতা/রক।
​২০২০ সালেও চেক জা/লি/য়াতির মা/ম/লায় সমন জারি হওয়ার পর তিনি আদালতে হাজির হননি, যার ফলে সে সময়ও তাকে গ্রে/ফ/তার করতে হয়েছিল।
​তার বি/রুদ্ধে বর্তমানে চরজব্বর থানায় প্রতা/রণার একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
​চরজব্বর থানা পুলিশ জানায়, সাজা/প্রাপ্ত এই আসা/মিকে গ্রেফ/তারের মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের দীর্ঘদিনের ন্যায়বিচারের অপেক্ষা শেষ হলো। তার বিরুদ্ধে থাকা অন্যান্য অভিযোগগুলোও গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
উপদেষ্টা মন্ডলী-এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পি,  প্রকাশক-ডিকে মন্ডল, সম্পাদক ডাঃ খাঁন মোঃ শফিকুল ইসলাম, সহ-সম্পাদক-ডাঃ মোঃ  আনিসুজ্জামান, আইন বিষয়ক সম্পাদক-এ্যাড. মুজাহিদুল ইসলাম,স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক -ডাঃ বিজন বিশ্বাস  রেজিষ্ট্রেশন নং-খুলনা-৪৬৫, অফিস ৩০০/১খানজাহান আলী রোড়, খুলনা। বানিজ্যিক কার্যালয়-রূপসা সদর, খুলনা ০১৮১৯-০১৬৩৪২।© স্বত্ব সংরক্ষিত © ধুপছায়া
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park