
নিজস্ব প্রতিবেদক – ঘাটভোগ ইউনিয়নে দীর্ঘদিনের ত্রা/স ও চাঁ/দা/বা/জির সংস্কৃতিতে পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। সাম্প্রতিক সময়ে এলাকায় চাঁ/দা/বাজি ও লু/ট/পাটের ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের দাবি, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কারণেই অভিযুক্তরা বর্তমানে এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গেছে।
এলাকার বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, ঘাটভোগ ইউনিয়নে একটা সময় নির্দিষ্ট কিছু মহলের চাঁ/দা/বাজি ও প্রভাব বিস্তারে অতিষ্ঠ ছিল সাধারণ মানুষ। ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে সাধারণ গৃহস্থালির কাজেও নানাভাবে হয়রানির শিকার হতে হতো। তবে গত কয়েক সপ্তাহে পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন ঘটেছে। আগে যারা প্রকাশ্যে দাপট দেখিয়ে বেড়াত, তাদের এখন আর এলাকায় দেখা যাচ্ছে না। লোকমুখে চাউর আছে যে, গ্রে/প্তা/র এড়াতে বা গণরোষ থেকে বাঁচতে তারা গা-ঢাকা দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এই পরিবর্তনের পেছনে কাজ করেছে সম্মিলিত প্রতিরোধ। তারা জানান:
সচেতনতা বৃদ্ধি: পাড়ায় পাড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ঐক্য তৈরি হয়েছে।
সমন্বয়: স্থানীয়রা সরাসরি প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করছেন।
নজরদারি: আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়মিত টহল ও নজরদারি জোরদার করেছে।
প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, অ/প/রাধ দমনে কোনো আপস করা হচ্ছে না। যেকোনো ধরণের অভিযোগ পাওয়া মাত্রই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, যার ফলে অ/প/রা/ধীরা পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে।
সমাজ বিশ্লেষকদের মতে, শুধুমাত্র আইন প্রয়োগ করে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি আনা সম্ভব নয়। ঘাটভোগের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও সম্মিলিত প্রতিরোধই পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে। মানুষ যখন ভ/য় কাটিয়ে অন্যায়ের বি/রু/দ্ধে দাঁড়াতে শিখেছে, তখনই চাঁ/দা/বাজরা এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।”আমরা এখন অনেক শান্তিতে আছি। আগে ব্যবসা করতে গিয়ে যে টেনশনে থাকতে হতো, এখন তা নেই। আমরা চাই এই পরিবেশ বজায় থাকুক।”জনৈক স্থানীয় ব্যবসায়ী
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া না গেলেও এলাকাবাসী আশাবাদী। তারা মনে করছেন, প্রশাসনের এই কঠোর নজরদারি এবং জনগণের এই ঐক্য বজায় থাকলে ঘাটভোগ ইউনিয়ন দ্রুতই একটি নিরাপদ ও আদর্শ জনপদে পরিণত হবে।