
ধুপছায়া ডেস্ক
বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে অপ/রাধ ও দ/স্যুমুক্ত রাখতে একটি বড় সাফল্য অর্জন করেছে এসআরবি-৬। বনের নিরাপত্তা জোরদার এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানের মুখে সক্রিয় জলদ/স্যু ‘আলিফ বাহিনীর’ ১৫ জন সদস্য এসআরবি-৬ এর খুলনা সদর দফতরে আত্মসমর্পণ করেছেন।
সারেন্ডার করা দ/স্যুদের মধ্যে ‘আব্দুল্লাহ গ্রুপের’ ৮ জন এবং ‘মজিদ গ্রুপের’ ৭ জন সদস্য রয়েছেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সুন্দরবনের ওপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করা হাজার হাজার জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালদের দীর্ঘদিন ধরে অপ/হণ, মুক্তিপণ দাবি এবং নানা অপ/রাধমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জিম্মি করে আসছিল কয়েকটি দ/স্যুচক্র। পূর্বে সরকারি পুনর্বাসন উদ্যোগ ও ধারাবাহিক অভিযানে অনেকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরলেও, সম্প্রতি নতুন কিছু দ/স্যু দল এবং পুরনো কিছু সদস্য আবারও অপ/রাধে জড়িয়ে পড়ার তথ্য পায় এসআরবি-৬।
এরই প্রেক্ষাপটে সুন্দরবনে গোয়েন্দা নজরদারি ও আভিযানিক তৎপরতা বহুগুণ বৃদ্ধি করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থান, সুন্দরবনের প্রতিকূল পরিবেশ এবং অপ/রাধমূলক জীবনের অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তি পেতে আলিফ বাহিনীর সদস্যরা অপ/রাধের পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।
এসআরবি-৬ এর মিডিয়া সেল জানিয়েছে, এই আত্মসমর্পণের ফলে সুন্দরবনের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা আরও সুদৃঢ় হবে এবং বনজীবীরা নির্বিঘ্নে তাদের জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন। আত্মসমর্পণকারী ১৫ জলদস্যুর বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।
সুন্দরবনকে সম্পূর্ণ দ/স্যুমুক্ত রাখতে এবং বননির্ভর জনগোষ্ঠীর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসআরবি-৬ এর আভিযানিক ও গোয়েন্দা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।