
খুলনা প্রতিনিধি:
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও বিভিন্ন দুর্নী/তির অভিযোগে খুলনায় সাবেক এক সংসদ সদস্য, আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক কাউন্সিলরসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে পৃথক পাঁচটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নী/তি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার (২৬ অক্টোবর, ২০২৬) বিকেলে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সহকারী পরিচালক মো. জাহিদ ফজল ও উপসহকারী পরিচালক আশিকুর রহমান বাদী হয়ে মামলাগুলো দায়ের করেন। সন্ধ্যায় বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন দুদকের খুলনা উপপরিচালক মামুনুর রশিদ চৌধুরী।
মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন খুলনা-৬ আসনের সাবেক এমপি মো. রশীদুজ্জামান, খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) সাবেক কাউন্সিলর মেমরি সুফিয়া রহমান শুনু ও তাঁর স্বামী খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মো. ফারুক আহমেদ। এছাড়া অন্য দুটি মামলায় মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক বিধান কুমার ভান্ডার ও তাঁর স্ত্রী ডলি ভান্ডারকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
দুদক সূত্রে পাওয়া তথ্যানুযায়ী:সাবেক এমপি রশীদুজ্জামান: তাঁর বিরুদ্ধে ৭৫ লাখ ৯০ হাজার টাকার অ/বৈধ ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে একটি মামলা করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমেদ ও সাবেক কাউন্সিলর শুনু: রাজনৈতিক পদ ব্যবহার করে ১ কোটি ১৭ লাখ টাকার অ/বৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে শেখ মো. ফারুক আহমেদের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা হয়েছে। অন্যদিকে, স্বামীর সহায়তায় ৩৬ লাখ ৯১ হাজার টাকার অ/বৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক কাউন্সিলর মেমরি সুফিয়া রহমান শুনুর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়; এ মামলায় সহযোগিতার অভিযোগে তাঁর স্বামী ফারুক আহমেদকেও আসামি করা হয়েছে।
বিধান কুমার ভান্ডার ও ডলি ভান্ডার: মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক বিধান কুমার ভান্ডারের বিরুদ্ধে ৭৩ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা হয়েছে। এছাড়া তাঁর স্ত্রী ডলি ভান্ডারের বিরুদ্ধে স্বামীর অর্জিত ১ কোটি ৮ লাখ টাকার অ/বৈধ সম্পদ নিজের দখলে রাখার অভিযোগে অপর মামলাটি দায়ের করা হয়। এ সংক্রান্ত দুটি মামলায় বিধান কুমার ভান্ডার এবং একটিতে তাঁর স্ত্রীকে আসামি করা হয়েছে।