
রূপসা প্রতিনিধি:
খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হবে জ্ঞান, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ গঠনের পবিত্র কেন্দ্র। সেখানে শিক্ষামূলক কার্যক্রমই প্রাধান্য পাবে, কোনো রাজনৈতিক কার্যক্রম নয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সর্বদা সার্বজনীন রাখতে হবে, যেখানে ধর্ম, বর্ণ ও দলমত নির্বিশেষে সবার সমান অধিকার নিশ্চিত থাকবে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকালে রূপসা উপজেলার নৈহাটী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় আয়োজিত এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা, পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আজিজুল বারী হেলাল বলেন, “বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। আধুনিক ভার্চুয়াল যুগে সফল হতে হলেও আমাদের আগে মৌলিক শিক্ষায় সমৃদ্ধ হতে হবে। বই-ই সঠিক জ্ঞান ও মূল্যবোধ গড়ে তোলে।” তিনি আরও যোগ করেন: শুধুমাত্র পরীক্ষার জন্য নয়, জীবনের প্রয়োজনেই প্রকৃত শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে।মা/দ/ক, স/ন্ত্রা/স ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে থেকে লক্ষ্য স্থির রাখতে হবে।আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের সমৃদ্ধ ও ‘সোনার বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের কারিগর।
এলাকার মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, “আপনাদের যে ভালোবাসা ও ভোট আমাকে সম্মানিত করেছে, আমি তার প্রতিদান দিতে চাই। এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে আমার প্রচেষ্টা সবসময় অব্যাহত থাকবে।”
নৈহাটী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সঞ্জিব সরকারের সভাপতিত্বে এবং বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোল্যা খায়রুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এস এ আনোয়ার উল কুদ্দুস।বিসিবি পরিচালক ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু।উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোল্যা সাইফুর রহমান।
আমন্ত্রিত অতিথি ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ:
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এনামুল হক সজল, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক আতাউর রহমান রুনু, বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হারুন অর রশীদ, আনিসুর রহমান বিশ্বাস, আরিফুর রহমান আরিফ, মোল্যা রিয়াজুল ইসলাম, বিকাশ মিত্র, মহিউদ্দিন মিন্টু ও দিদারুল ইসলাম।
সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, প্রকৌশলী সুখেন রায়, মোঃ শরিফুল ইসলাম, গোলাম মোস্তফা হেলাল, মোঃ মোজাফফর হোসেন ও লিয়াকত আলী।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ আতাউর রহমান ফকির, প্রধান শিক্ষক হায়দার আলী, রয়েল আজম, রবিউল ইসলাম রবি, মিকাইল বিশ্বাস, এ্যাড. মোস্তাফিজুর রহমান, শিক্ষক তাপস ভট্টাচার্য, মোঃ হযরত আলী, মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম, সেহেলি নাসরিন, সুচিত্রা দাস, মোঃ জামাল উদ্দীন, উত্তম কুমার চ্যাটার্জী, সৌমেন দেবনাথ, সরজিত মন্ডল, প্রবীর দেবনাথ, আমেনা পারভিন, তানভির আহম্মেদ সুমন, আসাদুজ্জামান বিপ্লব, জাহিদুল ইসলাম রবি, রেজাউল ইসলাম রেজা, মোঃ নয়ন মোড়ল, শাহজামান প্রিন্স, বশির হায়দার পল্টু, রাজু দাস, মিকাইল হোসেন, অন্তর হোসেন মাসুম, মো: রয়েল এবং রহিমা আক্তার নয়নসহ আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে যারা অবদান রেখেছেন এবং যারা মৃত্যুবরণ করেছেন, তাদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন ও দোয়া করা হয়।