
এম মুরশীদ আলী – রূপসা প্রতিনিধি:
খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আজীবন কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় লড়াই করেছেন। তাঁরই যোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ কৃষকের মুখে হাসি ফোটাতে এবং দেশকে আত্মনির্ভরশীল করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। কৃষকের ঘরে সমৃদ্ধি এলে অর্থনীতির চাকা সচল হবে ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। এই লক্ষ্যেই বিএনপি সরকার কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে ধান কেনার যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “দেশের উন্নয়নের সবচেয়ে বড় অন্তরায় দু/র্নীতি। দুর্নী/তির লাগাম টানতে না পারলে সুফল সাধারণ মানুষের ঘরে পৌঁছাবে না। তাই প্রতিটি প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে; সরকারি অর্থ লুটপাট কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। জনগণের অর্থ জনগণের কল্যাণেই ব্যয় করতে হবে—এটাই বিএনপি সরকারের মূল অঙ্গীকার।” তিনি ১৬ মে সকালে রূপসা উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে প্রাকৃতিক দু/র্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত, দুঃস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে শুকনা খাবার, ঢেউটিন ও গৃহনির্মাণ অর্থ বিতরণ উপলক্ষে রূপসা উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এমপি আজিজুল বারী হেলাল মোট ১১টি পরিবার ও ১টি প্রতিষ্ঠানের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ এবং ৯৮ জনের মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ করেন।
রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল করিম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন রূপসা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শেখ বোরহানউদ্দিন।
ত্রাণ বিতরণ শেষে সংসদ সদস্য রূপসা উপজেলা খাদ্য অধিদপ্তর আয়োজিত ‘অভ্যন্তরীণ ধান সংগ্রহ অভিযান ২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতার সভাপতিত্বে এই পর্বেও স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মোঃ আশরাফুজ্জামান। এই অভিযানের আওতায় রূপসা উপজেলার কৃষকদের কাছ থেকে মোট ৬৬১ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করা হবে। এরপর বিকেলে এমপি আজিজুল বারী হেলাল ঘাটভোগ ইউনিয়নের ডোবা উত্তর পাড়া এলাকার একটি মহোৎসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।
এসব কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন:
রূপসা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তরুণ কুমার বালা, খাদ্য গুদাম ইনচার্জ মোঃ সেলিম, খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, এনামুল হক সজল, রূপসা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোল্যা সাইফুর রহমান, দিঘলিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুর রহমান মিন্টু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রুনু, রূপসা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক, জেলা বিএনপির সদস্য আরিফুর রহমান আরিফ, আছাফুর রহমান, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শেখ মোঃ আবু সাঈদ, জেলা মহিলা দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহানাজ ইসলাম, রূপসা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বিকাশ মিত্র, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম গোলদার, হুমায়ূন কবীর, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা খান আনোয়ার হোসেন, মহিউদ্দিন মিন্টু, আজিজুর রহমান, দিদারুল ইসলাম, মিকাইল বিশ্বাস, ইউনিয়ন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিয়াউল ইসলাম বিশ্বাস, আজিজুল ইসলাম নন্দু, ইলিয়াজ হোসেন, যুব মহিলা দল নেত্রী শারমিন আক্তার আঁখি, কৃষক সেলিম সরদার, ওমর ফারুক, কৃষক দল নেতা শাহ আলম ভূঁইয়া, খন্দকার শরিফুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম পাইক, মোল্যা দুরুল হুদা, কামরুল ইসলাম কচি, ফিরোজ মাহমুদ, আরিফ মোল্যা, শামীম হাসান, মাসুদ খান, মুন্না সরদার, সাবেক ছাত্রনেতা খান আলিম হাসান, ফরহাদ হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রেজাউল ইসলাম রেজা, নয়ন মোড়ল, জহিরুল হক শারাদ, তরিকুল ইসলাম রিপন, মহিতোষ ভট্টাচার্য, এসএম আবু সাঈদ, সাজ্জাদ সরদার, কামরুজ্জামান নান্টু, জাহাঙ্গীর হালদার, আকতার শেখ, জাহিদ হোসেন, নাঈম আহম্মেদ, খান ওলিয়ার রহমান, আবু দাউদ দানিশ, মনিশংকর রায়, ওমর ফারুক ও শামীম মোল্যা প্রমুখ।