
মোঃ মুহিববুল্লাহ আল মামুন,স্টাফ রিপোর্টার : দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভুয়া ও হলুদ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান জোরদার হওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে অসাধু চক্রের মধ্যে। অভিযোগ উঠেছে, কিছু ব্যক্তি সাংবাদিকতার পরিচয়পত্র ও নবগঠিত অখ্যাত প্রেসক্লাবের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে চাঁ/দা/বাজি, মা/দ/ক ব্যবসা এবং সন্ত্রা/সী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি খুলনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে দুইজন ভু/য়া সাংবাদিক গ্রে/ফ/তার হওয়ার পর তাদের কাছ থেকে আগ্নে/য়াস্ত্র উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহলের দাবি, এ ঘটনার পরও কিছু মা/দ/ক ব্যবসায়ী, চিহ্নিত সন্ত্রা/সী ও নি/ষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিরা নিজেদের আড়াল করতে সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করছে।
সূত্র জানায়, সমাজে প্রভাব বিস্তার এবং অবাধে চলাফেরার উদ্দেশ্যে এসব ব্যক্তি বিভিন্ন অখ্যাত ও নবগঠিত প্রেসক্লাবের সহযোগিতায় কম্পিউটারের মাধ্যমে সূর্যের আলো না দেখা পত্রিকার পরিচয়পত্র সংগ্রহ করছে। অভিযোগ রয়েছে, তাদের একটি অংশ স্থানীয় পর্যায়ে প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় থেকে অপ/কর্ম চালিয়ে যাচ্ছে।
এছাড়াও রূপসা উপজেলায় কয়েকজন কথিত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এসব অপ/রাধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সচেতন নাগরিকরা কিছু ডকুমেন্ট ও একসঙ্গে চলাফেরার ভিডিও ফুটেজ বিভিন্ন গণমাধ্যমে পাঠিয়েছেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় মহলে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
সচেতন মহল মনে করছে, প্রকৃত সাংবাদিকদের সুনাম নষ্ট করতে একটি অসাধু চ/ক্র পরিকল্পিতভাবে সাংবাদিকতার পবিত্র পেশাকে ব্যবহার করছে। তারা বলছেন, “অপরাধ করলেই পার পাওয়া যায় না।
বর্তমানে সবার হাতেই স্মার্টফোন রয়েছে। যেকোনো সময় যেকোনো ঘটনার ছবি বা ভিডিও ধারণ করে সত্য প্রকাশ করা সম্ভব।” তারা আরও বলেন, প্রকৃত গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা করা এবং ভু/য়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এখন সময়ের দাবি। একই সঙ্গে সাংবাদিক সংগঠনগুলোকেও সদস্য যাচাই-বাছাইয়ে আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।