
বিশেষ প্রতিনিধি আকাশ পাল
বাগেরহাটের চিতলমারী থানা পুলিশ একদিনে একাধিক অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ী, ওয়ারেন্টভুক্ত ও সাজা/প্রা/প্ত আসা/মিসহ মোট ১১ জনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। মাদ/ক/দ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে এবং একজন নিখোঁজ মানসিক প্রতিবন্ধীকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পৃথক অভিযানে ৪৬/২৬ নং দ্রুত বিচার মা/ম/লার ওয়ারেন্টভুক্ত চার আসামি হাবিবুল্লাহ কাজী, সেলিম মল্লিক, সোহেল কাজী ও দ্বীন ইসলাম মল্লিককে নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফ/তার করা হয়েছে। এছাড়াও, পুলিশ খাসেরহাট বাজার থেকে জিআর নং 37/23 মামলায় সাজা/প্রাপ্ত পলাতক আ/সামি প্রণয় পান্ডেকে গ্রে/প্তার করেছে।
মাদ/ক বিরোধী অভিযানে চিতলমারী থানার মামলা নং ০৫ এর আসা/মী বাঁধন মৃধাকে ৭৫ গ্রাম গাঁ/জাসহ গ্রে/ফতার করা হয় এবং মাম/লা নং ০৭ এর আসা/মী ইমন শেখকে ১৭ পিস ইয়া/বাসহ গ্রে/ফতার করা হয়। গ্রে/ফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদ/কদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন 2018 এর 36(1) ধারায় একটি মা/মলা দায়ের করা হয়েছে।
একই দিন উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতে অপ/রাধ স্বীকার করায় ইব্রাহিম শেখ, নয়ন ও রুহুল আমিন শেখের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
এদিকে পুলিশের মানবিক উদ্যোগে মোল্লাহাট থেকে নিখোঁজ শেখ সাদী নামে এক মানসিক প্রতিবন্ধীকে উদ্ধার করে তার বাবা মাহাতাব শেখের হেফাজতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এসআই এএসএম সাকিব নিয়াজ, এসআই লিটন কুমার বিশ্বাস, এসআই সুজয় কুমার মল্লিক, এসআই আব্দুস সালাম, এএসআই মোজাহাঙ্গীর আলম, এএসআই মোঃ মহিদুল ইসলাম শেখ ও এএসআই সজল কুমার রায় অভিযানে অংশ নেন।
চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বেগম রোকেয়া বলেন, অপ/রাধী যেই হোক তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। চিতলমারীকে মা/দক ও অপ/রাধমুক্ত করতে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে। গ্রেফ/তারকৃত ১০ আসা/মীকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে বাগেরহাট আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।