
বিশেষ প্রতিনিধি আকাশ পাল
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মো. মিন্টু শেখ (৪৬) নামে এক দিনমজুরকে কু/পিয়ে হ/ত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরু/দ্ধে। ধা/রালো অ/স্ত্রের কোপে নিহ/তের ডান হাত বিচ্ছিন্ন ও ডান পায়ের রগ কেটে গেছে।
সোমবার (১৮ মে) বিকাল ৪ টার দিকে উপজেলার হোগলাপাশা ইউনিয়নের বোলপুর গ্রামের এ হাম/লার ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃ/ত ঘোষণা করেন
নিহ/ত মিন্টু শেখ বোলপুর গ্রামের আব্দুল অহেদ শেখের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে একই এলাকার মোহসিন শেখের সাথে মিন্টুর পরিবারের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল।
নিহ/তের ভাই মিজান শেখ জানান, সোমবার বিকেল ৪টার দিকে কাজ শেষে একা বাড়ি ফিরছিলেন মিন্টু শেখ। পূর্ব বিরোধের জেরে মোহসিন শেখের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ১৬ জনের একটি দল দেশীয় ধারালো অ/স্ত্র নিয়ে তার ওপর অতর্কিত হা/মলা চালায়। হাম/লাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি কু/পিয়ে গুরুতর জখম করে। হাম/লাকারীরা মিন্টুর ডান হাত কেটে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মিজান শেখ বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি ভাইকে কু/পিয়ে ফেলে রেখে হাম/লাকারীরা পালিয়ে যাচ্ছে। তখনও ভাই অল্প কথা বলতে পারছিল। কারা হাম/লা করেছে, তাদের কয়েকজনের নামও বলেছে। মোহসিন শেখের নেতৃত্বে হাম/লায় অংশ নেয় দুলাল শেখ, লিওন, কামরুল, মুরাদ, সাইয়াদ, তবি ও আরও কয়েকজন।
নিহ/তের চাচাতো ভাই রফিজ শেখ বলেন, আমাদের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের জমিজমা নিয়ে বিরোধ রয়েছে। আগেও তারা আমাদের কয়েকবার হু/মকি দিয়েছে। হাম/লার পর মিন্টুর বিচ্ছিন্ন হাত সঙ্গে করে নিয়ে যায় হাম/লাকারীরা। চারপাশে খুঁজেও হাতটি পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় যুবক রিয়াদ শেখ বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি একটি হাত নেই, পা ঝুলে আছে এবং মাথায় গুরুতর আ/ঘাত রয়েছে। তখনই বুঝতে পারি মিন্টু হয়ত মা/রা যাবে। পরে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।
বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. সোহেলুর রহমান জানান, হাসপাতালে আনার আগেই মিন্টু শেখের মৃ/ত্যু হয়। তার ডান হাত কনুইয়ের নিচ থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল এবং পায়েও গুরুতর জখম ছিল।
মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো, মাহমুদুর রহমান বলেন, ঘটনায় এখনো কোনো মাম/লা হয়নি। যাদের বিরুদ্ধে হ/ত্যার অভিযোগ উঠেছে, তাদের গ্রে/প্তারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। ময়/নাতদন্ত শেষে ম/রদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। নিহ/তের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে মাম/লা দায়ের করা হবে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।