
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার দেবহাটায় যৌথ অভিযান চালিয়ে ঝিনাইদহের চাঞ্চল্যকর আফিয়া আক্তার খুশি (২১) হ/ত্যা মাম/লার প্রধান ও এজাহারনামীয় ১ নম্বর পলাতক আসামি মোঃ সাঈদ মেহেদী (৩০)-কে গ্রে/ফতার করেছে র্যাব-৬।
গত ১৬ই জুলাই (২০২৬) রাত ১০:২০ মিনিটের দিকে সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা থানাধীন পারুলিয়া বাজার এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, র্যাব ফোর্সেস নিয়মিত বিভিন্ন মেয়াদে সা/জাপ্রাপ্ত, ওয়ারেন্টভুক্ত আ/সামি, অ/স্ত্রধারী স/ন্ত্রাসী ও মা/দক কারবারিদের গ্রে/ফতারসহ চাঞ্চল্যকর হ/ত্যা ও ধ/র্ষণের ঘটনায় জড়িত অ/পরাধীদের আইনের আওতায় আনতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
এরই ধারাবাহিকতায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৬ এর সিপিসি-৩ (যশোর) এবং সিপিসি-১ (সাতক্ষীরা) ক্যাম্পের একটি যৌথ আভিযানিক দল পারুলিয়া বাজার এলাকায় অভিযান চালায়। সেখান থেকেই ঝিনাইদহের বহুল আলোচিত খুশি হ/ত্যা মা/মলার মূলহোতা সাঈদ মেহেদীকে গ্রে/ফতার করা হয়।
মোঃ সাঈদ মেহেদী (৩০), পিতা: মোঃ মোশলেম গাজী, গ্রাম: ঢেপুখালী পূর্বপাড়া, থানা: দেবহাটা, জেলা: সাতক্ষীরা।
মাম/লার এজাহার ও র্যাবের বিবরণী থেকে জানা যায়, ভিকটিম আফিয়া আক্তার খুশির সাথে আ/সামি সাঈদ মেহেদীর দুই বছর আগে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে তারা গোপনে বিয়ে করে ঝিনাইদহ শহরে বসবাস শুরু করেন। তবে বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন পারিবারিক বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কলহ লেগেই থাকত এবং সাঈদ প্রায়ই খুশিকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করত।
এরই একপর্যায়ে, গত ১৩ই মে (২০২৬) সকাল আনুমানিক ৭:০০ টার দিকে ভিকটিমের প্রতিবেশী নাইটগার্ড মোঃ বদর উদ্দিন মোল্যা ঘরের দরজা খোলা দেখে ভেতরে প্রবেশ করেন। তিনি খুশিকে ঘরের মেঝেতে বিছানার ওপর মৃ/ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে বাড়ির মালিক বেবী করিমকে জানান।
পরবর্তীতে বাড়ির মালিকের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঝিনাইদহ সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য ম/রদেহ ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। এই ঘটনার পর ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে ঝিনাইদহ সদর থানায় সাঈদ মেহেদীকে প্রধান আসামি করে একটি হ/ত্যা মা/মলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকেই সাঈদ পলাতক ছিলেন।
গ্রেফ/তারের পর আ/সামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে তাকে ঝিনাইদহ জেলার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।