
খাঁন মোঃ শফিকুল ইসলাম
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে খুলনার রূপসা উপজেলার ৫নং ঘাটভোগ ইউনিয়নে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। মাঠ পর্যায়ে সাধারণ মানুষের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় ও গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও নির্ভীক সাংবাদিক খাঁন কামরুজ্জামান জুয়েল রানা। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এলাকাবাসীকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি তিনি তুলে ধরছেন তার আগামীর উন্নয়ন ভাবনার কথা।
শুভেচ্ছা বার্তায় জুয়েল রানা বলেন, “ঈদ মানুষের মাঝে ভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করে। ঈদের আনন্দ ধনী-গরিব সকলের মাঝে সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ুক—এটাই আমার প্রত্যাশা।” একই সঙ্গে তিনি এলাকার শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।
তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক লড়াকু সৈনিক
খাঁন কামরুজ্জামান জুয়েল রানা ছাত্রজীবন থেকেই জাতীয়তাবাদী আদর্শের রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়। তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ৫নং ঘাটভোগ ইউনিয়ন শাখার সাবেক সদস্য সচিব ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি রূপসা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য এবং ঘাটভোগ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি রূপসা থানা বিএনপির রাজনীতির একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে রাজপথে সক্রিয় রয়েছেন।
বিদেশের পাঠ চুকিয়ে শেকড়ের টানে
শিক্ষানুরাগী এই সংগঠক ইউরোপের সাইপ্রাসে ‘কলেজ অব ট্যুরিজম অ্যান্ড হোটেল ম্যানেজমেন্টে’ উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছেন। প্রবাস জীবনেও তিনি দলীয় কর্মকাণ্ড ও দেশের মানুষের অধিকার আদায়ে সোচ্চার ছিলেন। শত বিলাসিতা ছেড়ে শেকড়ের টানে ফিরে এসেছেন প্রিয় এলাকার মানুষের সেবা করতে।
ধানের শীষের সেই সাহসী কান্ডারি
২০১৬ সালে মাত্র ২৬ বছর বয়সে দলীয় আস্থার প্রতীক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়ে ৫নং ঘাটভোগ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হন জুয়েল রানা। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া স্বয়ং তার হাতে ধানের শীষের প্রতীক তুলে দিয়েছিলেন। রাজনৈতিক জীবনে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে তিনি একাধিকবার মা/ম/লা ও হয়রানির শিকার হয়ে কা/রা/বরণ করলেও দমে যাননি।
জনসেবার প্রত্যয়
রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি জুয়েল রানা এলাকায় একজন সৎ, নির্ভীক ও সাহসী সাংবাদিক হিসেবে সুপরিচিত। আসন্ন নির্বাচনে দল ও এলাকাবাসীর সমর্থন প্রত্যাশা করে তিনি বলেন, “জনগণের রায় পেলে ঘাটভোগ ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও জনবান্ধব ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলব। দুর্দিনের কাণ্ডারি হিসেবে যেভাবে পাশে ছিলাম, আগামীর সুদিনেও সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে জনগণের সেবা করতে চাই।”