
খাঁন মোঃ শফিকুল ইসলাম
আসন্ন রূপসা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন রাজপথের লড়াকু সৈনিক ও বিএনপির তৃণমূল থেকে উঠে আসা বলিষ্ঠ নেতা জিএম কামরুজ্জামান টুকু। ১৯৯০ সালে ছাত্র রাজনীতির মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করা এই নেতা দীর্ঘ সাড়ে তিন দশকের রাজনৈতিক জীবনে জেল-জুলুম ও ত্যাগের এক অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন।
জিএম কামরুজ্জামান টুকুর রাজনৈতিক জীবন কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং ধাপে ধাপে যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে তিনি আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন।
১৯৯২ সালে রূপসা উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শুরু করে পরবর্তীতে তিনি একই ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেন।
শুধু উপজেলা নয়, খুলনা জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও তিনি সফল ছিলেন।২০১২ সালে দফতর সম্পাদক ছিলেন। খুলনা ৪ এর এমপি আজিজুল বারী হেলালের নির্বাচনে দপ্তর উপ কমিটি এবং এজেন্ট ট্রেনিং কমিটির প্রধান হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেছেন।বর্তমানে তিনি খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক দায়িত্ব পালন করছেন। যা তার সাংগঠনিক দক্ষতারই বহিঃপ্রকাশ।
ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল এক ক্যারিয়ার
একজন আদর্শিক নেতার বড় পরিচয় হলো সংকটে দলের পাশে থাকা। এক্ষেত্রে টুকু এক অনন্য দৃষ্টান্ত। তার রাজনৈতিক জীবনে রয়েছে একাধিকবার কা/রা/বরণ ও অসংখ্য মা/ম/লার ক্ষত।
১৯৯৬ থেকে ২০০১ এবং ২০০৮ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে তাকে মোট ১৭টি মা/ম/লার মুখোমুখি হতে হয়েছে।
আদর্শের প্রশ্নে আপসহীন এই নেতা মোট ৮ বার কা/রা/বরণ করেছেন। সর্বোচ্চ সাড়ে সাত মাস পর্যন্ত টানা জেল খাটার পরেও তিনি দলের লক্ষ্য ও আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি।
জনসেবায় পরীক্ষিত
রাজনীতির পাশাপাশি জনসেবায়ও তার রয়েছে অভিজ্ঞতা। ২০০৩ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চার দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তিনি জনগণের কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। এছাড়া জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের জেলা শাখার আহ্বায়ক ও সভাপতির দায়িত্ব পালনকালে তিনি সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে ছিলেন সম্মুখভাগে।
উপজেলা নির্বাচনে উজ্জ্বল সম্ভাবনা
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জিএম কামরুজ্জামান টুকুর মতো একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে দল মনোনয়ন দিলে মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উজ্জীবিত হবে। দলের প্রতি তার আনুগত্য এবং দীর্ঘ সময় জেল-জুলুম সহ্য করার মানসিকতা তাকে সাধারণ ভোটারদের কাছেও এক সহানুভূতিশীল ও আস্থার ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।
তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের দাবি, “যিনি দুঃসময়ে দলকে আগলে রেখেছেন এবং বারবার কা/রা/বরণ করেও পিছু হটেননি, আসন্ন নির্বাচনে রূপসার মানুষের সেবা করার সুযোগ তাকেই দেওয়া উচিত।”