
খাঁন মোঃ শফিকুল ইসলাম – খুলনা
বাংলাদেশের রাজনীতিতে ত্যাগ ও সাহসিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছেন খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের বর্তমান আহ্বায়ক মো: আতাউর রহমান রনু। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় বারবার কা/রা/ব/রণ, শারীরিক নি/র্যা/তন এবং ব্যক্তিগত শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে তিনি হয়ে উঠেছেন তৃণমূলের প্রিয় মুখ।
১৯৯৫ সালে ৩ নং তালতলা ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে তার সক্রিয় রাজনীতির যাত্রা শুরু হয়। এরপর ১৯৯৬ সালে লাবসা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্য সচিব এবং পরবর্তীতে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। মেধা ও শ্রমের সমন্বয়ে তিনি ধাপে ধাপে খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন আহ্বায়ক ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন শেষে বর্তমানে আহ্বায়ক হিসেবে সফলভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের মহিমা
আতাউর রহমান রনুর রাজনৈতিক জীবন কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। স্বৈ/রাচা/র বিরোধী আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে তিনি অসংখ্যবার শারীরিক নির্যা/ত/নের শিকার হয়েছেন। তার বিরু/দ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মোট ৪টি মা/মলা দায়ের করা হয় এবং তিনি দুইবার কা/রা/বরণ করেন। এমনকি কারা/বন্দী থাকা অবস্থায় তিনি তার পিতাকে হারান। পিতৃহীন হওয়ার সেই কঠিন সময়েও তাকে প্যারোলে মুক্তি নিয়ে হাতকড়া পরা অবস্থায় জানাজায় অংশ নিতে হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল।
জুলাই বিপ্লবের অগ্রসেনানী
বিগত জুলাই আন্দোলনেও তিনি ছিলেন সম্মুখ সারির যোদ্ধা। ৪ঠা আগস্ট শিববাড়ী মোড়ে আ/ন্দো/লন চলাকালীন তিনি গুরুতর আ/হ/ত হন। শরীরের ক্ষত নিয়ে লড়াই চালিয়ে গেছেন ফ্যা/সি/বাদের পতনের দিন পর্যন্ত। দেশ ও জাতির মুক্তির এই আন্দোলনে তিনি দেশনায়ক তারেক রহমানের একজন আস্থাশীল ও দায়িত্বশীল কর্মী হিসেবে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।