1. admin@dhupchaya.com : admin :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাগেরহাটের কচুয়ায় জাতীয় যুব দিবস পালিত সনদ ও যুব ঋণের চেক বিতরণ রূপসা কলেজের প্রভাষক দু/র্বৃত্তের গু/লিতে আহত হওয়ায় বিচারের দাবিতে মানববন্ধন প্রধানমন্ত্রী খুলনায় আগমন উপলক্ষে রূপসায় প্রস্তুতি সভায় এমপি হেলাল রূপসায় প্রেস ব্রিফিংএর মাধ্যমে চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা আলহাজ্ব মো. মহিউদ্দিন শেখের অবশেষে ধরা পড়লেন দক্ষিণের ‘মা/দক সম্রাজ্ঞী’ চম্পা, আমতলীতে স্বস্তির হাওয়া বাগেরহাটে বাংলালিংক কর্মীকে কু/পিয়ে লক্ষাধিক টাকা ছিন/তাই আমতলীতে মা/দক ব্যবসায়ী, সহযোগী ও পৃষ্ঠপোষকতাকারীকে গ্রে/ফতার ফাউন্ডেশনের ৯৫তম বোর্ড সভার দিকে তাকিয়ে ৭৪৫ কর্মী: চাকরি স্থায়ীকরণ ও বকেয়া সুবিধার দাবি সাপাহারে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত খুলনা বিভাগে ডেঙ্গু ও হামে একদিনে ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৫০

ঝিকরগাছা বাজারে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি বেকারির খাবারে পরিপূর্ণ দোকান

ধুপছায়া ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

মাসুদ হোসেন, ঝিকরগাছা প্রতিনিধি:
যশোরের ঝিকরগাছা বাজারের বিভিন্ন অলিতে গলিতে এবং রাস্তার পাশের অধিকাংশ দোকান গুলোতে বিভিন্ন ধরনের বেকারি পণ্য ও শিশু খাদ্যের বিক্রি প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। তবে খাবারের মান, সংরক্ষণ ও মেয়াদ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাধারণ ক্রেতারা।

সম্প্রতি বাজারের কয়েকটি দোকান ঘুরে দেখা যায় পাউরুটি, বিস্কুট, কেক, বাটারবন, চানাচুর ও বুটভাজাসহ বিভিন্ন খাবার খোলা অবস্থায় রাখা হয়েছে। কোনো কোনো দোকানে ধুলাবালি ও মাছির হাত থেকে খাবার রক্ষার তেমন ব্যবস্থা দেখা যায়নি। আবার কিছু পণ্যের প্যাকেটে উৎপাদন ও মেয়াদ শেষের তারিখ স্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই বলেও দেখা গিয়েছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঝিকরগাছা বাজারের বিভিন্ন দোকানে বিক্রি হওয়া এসব খাবারের একটি অংশ আসে জামতলা-দেউলির কামরুল ফুড এন্ড মারিয়া চানাচুর থেকে। পাশাপাশি যশোরের শংকরপুর এলাকার কয়েকজন বিক্রেতার কাছ থেকেও পণ্য সংগ্রহ করেন বাজারের দোকানিরা।

ঝিকরগাছা পদ্মপুকুর এলাকার বাসিন্দা সামিয়া বলেন, দাম কম হওয়ায় আমরা নিয়মিত এসব খাবার কিনি। তবে খাবারের মান কেমন, সেটা নিয়ে আমরা জানিনা।

এদিকে ঝিকরগাছা পারবাজার এলাকার বাসিন্দা রাবেয়া বলেন, কয়েকদিন আগে তিনি সবুজ কালারের বুটভাজা কিনে বাসায় নিয়ে যান। পরে খাবারটি হাতে নেওয়ার পর হাতে সবুজ রঙের দাগ লেগে যায়। রাবেয়ার ভাষ্য, হাতে যে রং লেগেছিল, তা দেখে কাপড়ে ব্যবহৃত রঙের মতো মনে হয়েছে। বিষয়টি দেখে আর খাওয়ার সাহস পাইনি।

ঝিকরগাছা বাজারের বেকারি পণ্যের দোকানি রাজু বলেন, আমাদের এই বাজারের মুখের সড়কে চার-পাঁচটি দোকান রয়েছে। এছাড়া মাছ বাজারের পাশেও অনেক দোকান আছে। আমরা জামতলা-দেউলির কামরুল ফুড এন্ড মারিয়া চানাচুর এবং যশোরের শংকরপুর এলাকার কয়েকজন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য সংগ্রহ করি। আমরা খাদ্যপণ্যে সুন্দর ভাবে রাখার যথাসাধ্য চেষ্টা করি। ক্রেতাদের ভালো ও মানসম্মত পণ্য দেওয়াকে আমরা গুরুত্ব দিয়ে দেখি।

তবে বাজারের ক্রেতাদের অভিযোগ, কম দাম ও সহজলভ্যতার কারণে এসব খাবার নিয়মিত কেনা হলেও অনেকেই পণ্যের গায়ে উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদ শেষের তারিখ কিংবা খাবার সংরক্ষণের বিষয়টি খেয়াল করেন না।

স্থানীয় কয়েকজন সচেতন ব্যক্তি বলেন, খাবারের মান নিয়ে অভিযোগ থাকলে শুধু কথার ওপর নির্ভর না করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পণ্যের নমুনা পরীক্ষা করা দরকার। একই সঙ্গে বাজারে নিয়মিত অভিযান ও তদারকি থাকলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার বিক্রির প্রবণতাও কমবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঝিকরগাছা উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর আব্দুল মতিন বলেন, খোলা বাজারে বিক্রি হওয়া এসকল পন্যের মান নিয়ে প্রশ্ন আছে। তবে ল্যাবটেস্ট না করলে শিওর হওয়া যাবেনা। শিশু খাদ্য সহ অন্যান্য খাবারের মান নিশ্চিত করার জন্য অভিযান পরিচালনা করা হবে।

ঝিকরগাছা বাজারে বেকারি ও চানাচুরজাতীয় খাবারের সরবরাহ ও বিক্রি বাড়লেও এসব পণ্যের মান এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি আরও বাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করছেন সাধারণ ক্রেতারা।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
উপদেষ্টা মন্ডলী-এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পি,  প্রকাশক-ডিকে মন্ডল, সম্পাদক ডাঃ খাঁন মোঃ শফিকুল ইসলাম, সহ-সম্পাদক-ডাঃ মোঃ  আনিসুজ্জামান, আইন বিষয়ক সম্পাদক-এ্যাড. মুজাহিদুল ইসলাম,স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক -ডাঃ বিজন বিশ্বাস  রেজিষ্ট্রেশন নং-খুলনা-৪৬৫, অফিস ৩০০/১খানজাহান আলী রোড়, খুলনা। বানিজ্যিক কার্যালয়-রূপসা সদর, খুলনা ০১৮১৯-০১৬৩৪২।© স্বত্ব সংরক্ষিত © ধুপছায়া
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park