
স্টাফ রিপোর্টার-এস এম নূর ইসলাম
আসন্ন ৩ নং রামনা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে এলাকাজুড়ে চলছে নানা আলোচনা। এর মধ্যে সাধারণ মানুষের মুখে সবচেয়ে বেশি শোনা যাচ্ছে মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেনের নাম।
স্থানীয় ভোটার ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জাহাঙ্গীর হোসেন এলাকার অসহায়, দুস্থ ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে তার সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে তিনি এলাকাবাসীর আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন।
*উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড:*
এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, জাহাঙ্গীর হোসেন ইতোমধ্যেই ব্যক্তিগত উদ্যোগে ও সমাজের সহযোগিতায় রামনা ইউনিয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন এবং করে যাচ্ছেন। তার উল্লেখযোগ্য কাজগুলো হলো:
যোগাযোগ ব্যবস্থা: ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের কাঁচা রাস্তা সংস্কার, নতুন রাস্তা নির্মাণ, ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণে সহযোগিতা।
শিক্ষা: গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, মসজিদ-মাদ্রাসা ও স্কুল-কলেজে আর্থিক অনুদান প্রদান।
স্বাস্থ্য: অসহায় রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা, বিনামূল্যে স্বাস্থ্য ক্যাম্প আয়োজন।
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান: বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির, মাদ্রাসা ও ঈদগাহ ময়দানের উন্নয়নে সার্বিক সহযোগিতা।
খেলাধুলা ও সংস্কৃতি: যুব সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষায় খেলার মাঠ সংস্কার ও বিভিন্ন ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন।
মানবিক সহায়তা: বন্যা, ঝড় ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ, শীতবস্ত্র ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ।
এলাকার একাধিক বাসিন্দা বলেন, “আমরা এমন একজন চেয়ারম্যান চাই যিনি নির্বাচনের আগে ও পরে আমাদের পাশে থাকবেন। জাহাঙ্গীর ভাই সবসময় মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে ছিলেন। তিনি যা বলেছেন তাই করেছেন। আমরা তাকে আগামী চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই।”
তরুণ সমাজের মতে, মাদকমুক্ত ও আধুনিক রামনা ইউনিয়ন গড়তে জাহাঙ্গীর হোসেনের মতো সৎ, পরিশ্রমী ও জনবান্ধব নেতৃত্ব প্রয়োজন।
এ বিষয়ে মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, “আমি রাজনীতিকে সেবা মনে করি। আল্লাহর রহমতে এবং আপনাদের দোয়ায় এতদিন যতটুকু পেরেছি মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। যদি এলাকাবাসী আমাকে সুযোগ দেয়, তাহলে বাবনা ইউনিয়নকে একটি ডিজিটাল, শিক্ষাবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলবো। ইউনিয়নের অসম্পূর্ণ কাজগুলো সম্পন্ন করাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য। আমি সকলের দোয়া ও সমর্থন চাই।”
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে জাহাঙ্গীর হোসেনের জনপ্রিয়তা ততই বাড়ছে। তবে চূড়ান্ত ফলাফল নির্ধারণ করবে রামনা ইউনিয়নের সাধারণ ভোটাররাই।