
নিজস্ব প্রতিবেদক
খুলনা মহানগরীর সদর থানা এলাকায় সরকারবিরোধী ষড়/যন্ত্র, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং সড়কে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মা/মলা দায়ের করা হয়েছে। মাম/লায় ১৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩৫ থেকে ৪০ জনকে আসা/মি করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তপন কুমার পাল বাদী হয়ে এই মামলাটি করেন।
মা/মলার এজাহার অনুযায়ী, গত বুধবার (১ জুলাই) ভোর পৌনে ৫টা থেকে পৌনে ৬টার মধ্যে সদর থানার তারের পুকুর সংলগ্ন ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের সামনে আসা/মিরা জড়ো হন। অভিযোগ রয়েছে, তারা বর্তমান সরকারকে উৎখাত, মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ভাঙচুর এবং অন্যান্য জেলার সঙ্গে খুলনার সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার উদ্দেশ্যে রাস্তায় ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও যানবাহন ভাঙচুরের চেষ্টা চালান।
একই সঙ্গে আসা/মিরা নি/ষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ‘ছাত্রলীগ’ ও আওয়ামী লীগের পক্ষে এবং সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন উসকানিমূলক স্লোগান দিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আসামিরা পালিয়ে যান। পরবর্তীতে পুলিশ আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৬ জন আসা/মির নাম-ঠিকানা শনাক্ত করে।
মামলায় নামীয় প্রধান আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—
রনবীর বাড়ৈ সজল, অনুপ সরকার ও মৃদুল
মহানগর ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তায়েফুল ইসলাম তাজ,জেলা যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক আসাদুজ্জামান খান রিয়াজ,প্রসেনজিৎ, মো. শহিদুল ইসলাম, রাহাত আলী মোড়ল, অনিক হাসান পারভেজ
গৌতম সরকার কাকন, আছাফুর ঢালী, গোপাল চন্দ্র সাহা, মো. আক্তার শিকদার, মনিরুল ইসলাম মনি, রাজিব আহমেদ এবং মো. রফিকুল ইসলাম পিন্টু।
সদর থানার ওসি (তদন্ত) মো. মিজানুর রহমান মা/মলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রাতে ঘটনার প্রেক্ষিতে থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত ও অজ্ঞাতনামা আসা/মিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।