
মোঃ মহিববুল্লাহ আল মামুন -স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে এক ভ/য়া/বহ অগ্নি/কান্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার ভোর ৬টার দিকে হাসপাতালের জরুরি অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) এই আগু/নের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ইউনিট প্রায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে নিরলস চেষ্টা চালিয়ে আ/গুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। আ/গুন থেকে বাঁচতে জানালা দিয়ে লাফিয়ে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন ৩ জন নার্স।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে জরুরি ওটি-সংলগ্ন পোস্ট অপারেটিভ রুম অথবা পাশের মালামাল রাখার স্টোর রুমের যেকোনো একটি থেকে শর্টসার্কিটের মাধ্যমে আগু/নের সূত্রপাত ঘটে থাকতে পারে। পরবর্তীতে তা শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের (এসি) আউটডোর এবং অক্সিজেন সরবরাহ লাইনের আউটডোরে ছড়িয়ে পড়ে। অক্সিজেনের মুখে আ/গুন লাগার কারণে একটি বিস্ফোরণ ঘটে এবং ওটির দরজা ভেঙে আ/গুন দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ভেতরে ডিউটিরত তিনজন নার্স ও চিকিৎসক প্রাণ বাঁচাতে জানালা দিয়ে নিচে লাফ দেন, এতে তারা গুরুতর আহত হন। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে বড় ধরনের কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। দুর্ঘ/টনার সময় ওটি বিভাগে চিকিৎসাধীন ১৫ জন রোগীকে তাৎক্ষণিকভাবে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে।
এদিকে অগ্নি/কান্ডের পর পুরো হাসপাতাল জুড়ে চরম আ/তঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে খুলনা মেডিকেলসহ শহরের অন্যান্য বেসরকারি ক্লিনিকে রোগীদের স্থানান্তরের জন্য স্বজনদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। আ/গুন লাগার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে এখনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. কাজী আইনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, আ/গুনের সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে এই দু/র্ঘটনার ফলে হাসপাতালের সেন্ট্রাল অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা ক্ষতি/গ্রস্ত হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে এবং অক্সিজেন সংকটের কারণে আপাতত সব ধরনের অপারেশন কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে পুরো ব্যবস্থা সচল করার জন্য কাজ চলছে।