1. admin@dhupchaya.com : admin :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাগেরহাটের কচুয়ায় জাতীয় যুব দিবস পালিত সনদ ও যুব ঋণের চেক বিতরণ রূপসা কলেজের প্রভাষক দু/র্বৃত্তের গু/লিতে আহত হওয়ায় বিচারের দাবিতে মানববন্ধন প্রধানমন্ত্রী খুলনায় আগমন উপলক্ষে রূপসায় প্রস্তুতি সভায় এমপি হেলাল রূপসায় প্রেস ব্রিফিংএর মাধ্যমে চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা আলহাজ্ব মো. মহিউদ্দিন শেখের অবশেষে ধরা পড়লেন দক্ষিণের ‘মা/দক সম্রাজ্ঞী’ চম্পা, আমতলীতে স্বস্তির হাওয়া বাগেরহাটে বাংলালিংক কর্মীকে কু/পিয়ে লক্ষাধিক টাকা ছিন/তাই আমতলীতে মা/দক ব্যবসায়ী, সহযোগী ও পৃষ্ঠপোষকতাকারীকে গ্রে/ফতার ফাউন্ডেশনের ৯৫তম বোর্ড সভার দিকে তাকিয়ে ৭৪৫ কর্মী: চাকরি স্থায়ীকরণ ও বকেয়া সুবিধার দাবি সাপাহারে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত খুলনা বিভাগে ডেঙ্গু ও হামে একদিনে ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৫০

​কয়রায় নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে গভীর রাতে সেতু নির্মাণের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

ধুপছায়া ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬
  • ৯২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

​নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা
খুলনার কয়রা উপজেলায় প্রায় পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন একটি আরসিসি গার্ডার সেতু নির্মাণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, নিম্নমানের ইট, বালু ও পাথর ব্যবহার করে নিয়মবহির্ভূতভাবে কাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। লোকচক্ষুর আড়ালে অনেক সময় গভীর রাতেও কাজ চালানো হচ্ছে। এতে সেতুটির স্থায়িত্ব নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
​এরই মধ্যে গত বুধবার সকালে অনিয়মের প্রতিবাদে মহারাজপুর এলাকায় স্থানীয় জনতা ক্ষুব্ধ হয়ে সেতুর কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন।
​স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, ‘উপজেলা সদর থেকে হায়াতখালী জিসি হয়ে গিলাবাড়ি জিসি সড়কের শাকবাড়িয়া নদীর ওপর ৩৬ মিটার আরসিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ’ প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ কোটি ৭১ লাখ টাকা। ২০২২ সালের ৩ আগস্ট ‘এসএ-জেডটি জেভি’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়।
​চুক্তি অনুযায়ী ২০২৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর কাজটি শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়। তবে বর্ধিত মেয়াদের শেষ সময়ে এসেও প্রকল্পের অগ্রগতি মাত্র ৫৫ শতাংশ।
​স্থানীয়দের অভিযোগ: ‘হাতে চাপ দিলেই ভেঙে যাচ্ছে পাথর’
​স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল গফফার বলেন,
​”সেতু নির্মাণে চরম ফাঁকি দেওয়া হচ্ছে। মানুষ যাতে অনিয়ম ধরতে না পারে, সে জন্য গভীর রাতেও কাজ চালানো হয়। যে পাথর ব্যবহার করা হচ্ছে, তা হাতে চাপ দিলেই ভেঙে গুঁড়ো হয়ে যাচ্ছে। বাধ্য হয়ে আমরা কাজ বন্ধ করে দিয়েছি।”
​আরেক বাসিন্দা আব্দুল জানান, নির্মাণকাজে বালু ও সিমেন্টের সঠিক অনুপাত মানা হচ্ছে না। এমনকি কাজের স্থানে কোনো তথ্য সম্বলিত সাইনবোর্ডও ঝোলানো হয়নি। প্রকল্পের নকশা বা কাজের শিডিউল দেখতে চাইলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন তা দেখাতে অস্বীকৃতি জানান। উল্টো অনিয়মের প্রতিবাদ করায় প্রভাবশালীদের মাধ্যমে এলাকাবাসীকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
​এলাকাবাসী জানান, এর আগেও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের কারণে কয়েক দফা কাজ বন্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু কিছুদিন পর কোনো পরিবর্তন ছাড়াই একই সামগ্রী দিয়ে আবারও কাজ শুরু করা হয়।
​দায় এড়ানোর চেষ্টা, কর্মকর্তার দ্বিমুখী বক্তব্য
​অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক মো. মিরাজ হোসেন বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, “আমাকে যেভাবে কাজ করতে বলা হয়েছে, আমি সেভাবেই করছি। এ বিষয়ে প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলুন।”
​যোগাযোগ করা হলে উপজেলা উপসহকারী প্রকৌশলী আফজাল হোসেন অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, “ব্যবহৃত বালু ও পাথর ভালো মানের। নিয়ম মেনেই কাজ হচ্ছে এবং জেলা কার্যালয়ের ল্যাবে সামগ্রী পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।”
​তবে ল্যাবের পরীক্ষার চূড়ান্ত প্রতিবেদন আসার আগেই কেন এই সামগ্রী দিয়ে কাজ চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে— স্থানীয়দের এমন প্রশ্নের কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি এই কর্মকর্তা।
​সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার ও সেতুর দীর্ঘস্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে অনতিবিলম্বে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত ও নির্মাণসামগ্রীর মান যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
উপদেষ্টা মন্ডলী-এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পি,  প্রকাশক-ডিকে মন্ডল, সম্পাদক ডাঃ খাঁন মোঃ শফিকুল ইসলাম, সহ-সম্পাদক-ডাঃ মোঃ  আনিসুজ্জামান, আইন বিষয়ক সম্পাদক-এ্যাড. মুজাহিদুল ইসলাম,স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক -ডাঃ বিজন বিশ্বাস  রেজিষ্ট্রেশন নং-খুলনা-৪৬৫, অফিস ৩০০/১খানজাহান আলী রোড়, খুলনা। বানিজ্যিক কার্যালয়-রূপসা সদর, খুলনা ০১৮১৯-০১৬৩৪২।© স্বত্ব সংরক্ষিত © ধুপছায়া
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park