
ডাঃ মোঃ মুহিববুল্লাহ আল মামুন,স্টাফ রিপোর্টার– বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির অগ্রগতির সাথে সাথে অ/প/রাধের ধরনও ক্রমশ জটিল ও ভ/য়া/বহ হয়ে উঠছে। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়াতে অপ/রা/ধীরা এখন বিভিন্ন ধরনের ছদ্মবেশী অ/স্ত্র ব্যবহার করছে। এর মধ্যে সবচেয়ে উদ্বেগজনক একটি হলো কলমের আকারে তৈরি আ/গ্নেয়া/স্ত্র, যা সাধারণ মানুষের চোখে সহজেই ধরা পড়ে না। সম্প্রতি বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে এমন অ/স্ত্র উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় জনমনে আ/তঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। দেখতে সাধারণ কলমের মতো হলেও এর ভেতরে থাকে ছোট আকারের গু/লি এবং একটি ট্রিগার ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে খুব কাছ থেকে প্রাণঘাতী আ/ঘা/ত করা সম্ভব। ফলে এটি জননিরাপত্তার জন্য মা/রা/ত্মক হুমকি হয়ে উঠতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের অ/স্ত্র বহন করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে অ/বৈ/ধ। অনেক সময় অপ/রা/ধীরা নিরাপত্তা তল্লাশি এড়ানোর জন্য এই ধরনের অ/স্ত্র ব্যবহার করে থাকে। ফলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্যও এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আইন অনুযায়ী, বৈধ লাইসেন্স ছাড়া কোনো ধরনের আ/গ্নে/য়াস্ত্র রাখা বা ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নি/ষি/দ্ধ এবং দণ্ডনীয় অপ/রাধ। তাই সাধারণ নাগরিকদের উচিত এ ধরনের সন্দেহজনক বস্তু দেখলে দ্রুত নিকটস্থ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করা। সচেতন মহলের মতে, সমাজে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে হলে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নির্ভর না করে সাধারণ জনগণকেও সতর্ক ও সচেতন হতে হবে। বিশেষ করে অভিভাবকদের উচিত সন্তানদের মধ্যে আইন মান্য করার মানসিকতা গড়ে তোলা এবং কোনো ধরনের অ/বৈ/ধ অ/স্ত্র থেকে দূরে থাকার শিক্ষা দেওয়া।
অবশেষে বলা যায়, কলমের আড়ালে লুকিয়ে থাকা এই অবশেষে বলা যায়, কলমের আড়ালে লুকিয়ে থাকা এই ধরনের প্রাণঘাতী অ/স্ত্র সমাজের জন্য এক নীরব হুমকি। এ বিষয়ে কঠোর নজরদারি, আইন প্রয়োগ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি—এই তিনটির সমন্বয়েই কেবল এমন ঝুঁকি মোকাবিলা করা সম্ভব।