
নাহিদ জামান
উপজেলা পরিষদ নির্বাচন কে সামনে রেখে খুলনা জেলা বিএনপি’র যুগ্ন আহবায়ক জিএম কামরুজ্জামান টুকু ৩ এপ্রিল শুক্রবার সন্ধায় রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় শেষে ক্লাবে বসেই আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রচার প্রচারনা শুরু করেন।
মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি সাংবাদিকদের বলেন আমার স্বপ্ন রূপসাকে মডেল উপজেলা হিসাবে গড়ে তোলা। তারই অংশ হিসাবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে আজ থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রচার প্রচারন শুরু করলাম। দল যদি আমাকে মনোনায়ন দেয় তাহলে আমার বিশ্বাস উপজেলাবাসী আমার পাশে থেকে ভোটের মাধ্যমে আমাকে নির্বাচিত করবে। আমি সারা জীবন সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে রাজপথে সক্রিয় থেকেছি। জনগণের ভালোবাসাই আমার মূল শক্তি। নির্বাচিত হলে রূপসী রূপসাকে একটি আধুনিক, দুর্নীতিমুক্ত, মাদকমুক্ত, চাদাবাজমুক্ত ও জনবান্ধব উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।” তিনি আরও বলেন, অবহেলিত রূপসা উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে সবার দোয়া/ আশীর্বাদ ও সহযোগিতা কামনা করছি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপি’র সাবেক সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য সৈয়দ নিয়ামত আলী, বিএনপি নেতা বাদশা জমাদার,উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক মুন্না সরদার, বিএনপি নেতা সৈয়দ মাহামুদ আলী, আসাদ পাইক, কামরুজ্জামান নান্টু, নিজাম উদ্দিন শেখ, খান আইযুব আলী, হাফিজুর রহমান, ওহিদুজ্জামান চঞ্চল,রবিউল ইসলাম,সৈয়দ শাহিনুর, ইসরাইল বাবু, জিএম হিরোক, আবুল কাশেম, ইমরান শেখ, শহিদুল ইসলাম,ওয়ালিদ শেখ, সুজন শেখ, নাসিম সেখ, রমজান গোলদার, আমজাদ শিকদার, সোহেল, সুমন, রবি প্রমূখ
জিএম কামরুজ্জামান টুকু পরিচিতিঃ
তিনি রূপসা উপজেলার টিএসবি ইউনিয়নের খাজাডাংগা গ্রামের মরহুম ছিকমত গোলদারের সেজ ছেলে। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি বিএনপির রাজনীতি কে মনে প্রাণে লালন করেন। তিনি উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সফল সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি ছিলেন। পরবর্তিতে মূল দলের খুলনা জেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক ও যুগ্ন -সাধারন সম্পাদক ছিলেন। বর্তমানে তিনি খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। তাকে ঘিরে উপজেলার সকল জায়গার রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ঝড় শুরু হয়েছে।
রাজনিতির জন্য তাকে বারবার কারা বরন করতে হয়েছে। বিএনপির রাজনিতির কারনে ১১ টি মামলা সহ ডিটেনশন ও খাটতে হয়েছে তাকে। দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে নির্যাতিত নেতা কর্মীদের পাশে থেকেছেন সব সময় এবং তাদের কে যুগিয়েছেন উৎসাহ ও উদ্দিপনা। তাকে এলাকায় নেতাকর্মী গড়ার কারিগর বলা হয়ে থাকে। স্থানীয়দের কাছে তিনি একজন সৎ, শিক্ষিত, নম্র ও ভদ্র মানুষ হিসেবে পরিচিত। পাশাপাশি একজন সমাজসেবক হিসেবে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে এলাকায় তার আলাদা গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম তাকে ঘিরে আলোচনা চলছে। সাধারন ভোটারের মতে,রূপসার সার্বিক উন্নয়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অভিজ্ঞ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতৃত্ব প্রয়োজন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা,তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক এবং স্বচ্ছ ইমেজের কারণে এবারের উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে জি এম কামরুজ্জামান টুকু সবার শীর্ষে।