
বিশেষ প্রতিনিধি : আকাশ পাল
আজ ১৩ অক্টোবর আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস। দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস, প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি কমানো এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়। দিবসটি উপলক্ষে বাগেরহাটের মতো উপকূলীয় অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি, পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নের গুরুত্ব নতুন করে সামনে এসেছে।
বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মো. জাকির হোসেনের দায়িত্বের ক্ষেত্রেও জনকল্যাণ, স্থানীয় অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং দুর্যোগের ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পিত উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। উপকূলীয় জনপদের মানুষের নিরাপত্তা ও জীবনমান উন্নয়নে দুর্যোগ-সহনশীল অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
বাগেরহাটের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হচ্ছেন। এসব ঝুঁকি মোকাবিলায় শুধু দুর্যোগের পর উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম নয়, বরং আগাম সতর্কবার্তা, নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র, টেকসই সড়ক ও যোগাযোগব্যবস্থা এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে ব্যারিস্টার শেখ মো. জাকির হোসেনের সামনে স্থানীয় উন্নয়ন পরিকল্পনায় জনস্বার্থ ও দুর্যোগের ঝুঁকিকে গুরুত্ব দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় জনগণের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমানো এবং নিরাপদ জনপদ গড়ে তোলার প্রচেষ্টা আরও জোরদার করা সম্ভব।
আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসের মূল বার্তা হলো দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতিই সবচেয়ে বড় শক্তি। পরিকল্পিত উন্নয়ন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমে বাগেরহাটকে আরও নিরাপদ ও দুর্যোগ-সহনশীল জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা রয়েছে।
দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে সচেতনতা, জনসম্পৃক্ততা ও সমন্বিত উদ্যোগই হতে পারে নিরাপদ বাগেরহাট গড়ার অন্যতম ভিত্তি।