ধুপছায়া ডেস্ক
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও বাজারে ভারসাম্য বজায় রাখতে সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় বেতন কাঠামো তিন ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। চলতি সপ্তাহের মধ্যেই এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন (গেজেট) প্রকাশ করা হবে।
সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথাকথিত সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি।
বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ও মূল সিদ্ধান্তসমূহ
ধাপভিত্তিক বাস্তবায়ন: প্রথম ধাপে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে নতুন কাঠামোর মূল বেতন কার্যকর হবে। ছয় মাস পর দ্বিতীয় ধাপ এবং পরবর্তীতে শেষ ধাপটি কার্যকর করা হবে।
ভাতা প্রদান: নতুন স্কেলের আনুষঙ্গিক ভাতাসমূহ ২০২৮ সালের জানুয়ারি থেকে একযোগে দেওয়া শুরু হবে।
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ: বাজারে হুট করে অতিরিক্ত অর্থপ্রবাহ সৃষ্টি হয়ে যেন দ্রব্যমূল্য না বাড়ে, সে কারণেই একবারে পুরো অর্থ না দিয়ে তিন ধাপে বাস্তবায়নের পথ বেছে নেওয়া হয়েছে।
অর্থনৈতিক প্রভাব: এতে কর্মচারীদের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি বাজারে অর্থপ্রবাহ বৃদ্ধি পেয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বাজেট সংস্থান: এই বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে আগামী তিন বছরে সরকারের অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকার মতো প্রয়োজন হবে, যা পর্যায়ক্রমে বরাদ্দ করা হবে।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড: সংক্রান্ত বিস্তারিত নিয়মাবলী এসআরও (SRO) জারি হওয়ার পর জানা যাবে।
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী: প্রায় ৫ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক এই কাঠামোর আওতায় আসছেন কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পরবর্তীতে জানানো হবে।