নিজস্ব প্রতিবেদক, লক্ষ্মীপুর
লক্ষ্মীপুরে সংবাদ সংগ্রহের সময় সময় টেলিভিশনের ভিডিও জার্নালিস্ট আকাশের ওপর বর্বরোচিত হা/মলা চালিয়েছে স্থানীয় ধরিত্রী পাম্পের মালিকপক্ষের লোকজন। হা/মলায় গুরুতর আ/হত আকাশ বর্তমানে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুরে লক্ষ্মীপুরস্থ 'ধরিত্রী পাম্পে' পেশাগত প্রয়োজনে তথ্য সংগ্রহ করতে যান ভিডিও জার্নালিস্ট আকাশ। তথ্য সংগ্রহের একপর্যায়ে পাম্পের মালিকপক্ষ ক্ষি/প্ত হয়ে তার ওপর অতর্কিত হা/মলা চালায়। হা/মলা/কারীরা আকাশকে উদ্দেশ্য করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং লোহার রড ও লা/ঠি/সোটা দিয়ে তাকে নির্ম/মভাবে পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে।
হাম/লা/কারীরা কেবল আকাশকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেই ক্ষান্ত হয়নি, তারা সময় টেলিভিশনের মূল্যবান ভিডিও ক্যামেরা এবং বুম ভাঙ/চুর করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধা/র করে দ্রুত লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার শরীরে একাধিক আঘা/তের চি/হ্ন রয়েছে এবং তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
এই ন্যক্কারজনক ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় সাংবাদিকদের মাঝে তীব্র ক্ষো/ভ ও অসন্তোষ দেখা দেয়। লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাব ও বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এই হা/মলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। সাংবাদিক নেতারা এক বিবৃতিতে বলেন:
"সংবাদ সংগ্রহ করা একজন সাংবাদিকের পেশাগত অধিকার। দিনের আলোতে এভাবে একজন সংবাদকর্মীর ওপর হাম/লা এবং সরঞ্জাম ভাঙ/চুর করা আইনের শাসনের পরিপন্থী। আমরা অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি।"
ভুক্তভোগী সাংবাদিকের পরিবার ও সহকর্মীরা প্রশাসনের কাছে এই হা/মলায় জড়িত দো/ষী/দের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন। হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁ/শি/য়ারি দিয়েছেন স্থানীয় সংবাদকর্মীরা।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে দো/ষীদের বি/রুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।