খাঁন মোঃ শফিকুল ইসলাম
খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, রূপসা উপজেলাকে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের একটি আদর্শ জনপদ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। তিনি স্পষ্ট হুঁ/শি/য়ারি দিয়ে বলেন, "এই এলাকায় কোনো চাঁ/দা/বাজ, দখল/বাজ বা স/ন্ত্রা/সীর ঠাঁই হবে না। আমরা এমন এক সমাজ চাই যেখানে সাধারণ মানুষ নিরাপদে থাকবে এবং তরুণ প্রজন্ম দেশ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।"
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে রূপসা সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত 'সাবেক ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের ঈদ পুনর্মিলনী' অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মানবিক ও আদর্শিক রাজনীতির আহ্বান
সাবেক এই ছাত্রনেতা নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তারেক রহমানের আদর্শে রূপসাকে একটি শক্তিশালী ঘাঁটিতে পরিণত করতে হবে। তিনি ছাত্রদলের বর্তমান ও সাবেক নেতাকর্মীদের ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জনগণের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান। রাজনীতিকে মানবিক করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন:
"রাজনীতি যেন ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহৃত না হয়। শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ক্রীড়ার মাধ্যমে তরুণদের মেধার বিকাশ ঘটাতে হবে। নৈতিকতা ও সহনশীলতাই হবে একটি আদর্শ সমাজ গঠনের মূল ভিত্তি।"
অনুষ্ঠানে উপস্থিতিবৃন্দ, খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক জিএম কামরুজ্জামান টুকুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন:
উদ্বোধক: সাবেক ছাত্রনেতা ও খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল ইসলাম বাপ্পি।
প্রধান বক্তা: সাবেক ছাত্রনেতা ও জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব শেখ আবু হোসেন বাবু।
সঞ্চালক: জেলা বিএনপির সদস্য ও অনুষ্ঠানের সদস্য সচিব মল্লিক আঃ সালাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন:জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খান জুলফিকার আলি জুলু, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, এনামুল হক সজল এবং সাবেক জেলা ছাত্রদল সভাপতি শেখ আঃ রশীদ।
বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:
রূপসা সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি মোল্লা এনামুল কবির, উজ্জ্বল কুমার সাহা এবং জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা তুহিন।
এছাড়াও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোল্লা সাইফুর রহমান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রুনুসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সাবেক ছাত্রনেতারা সংগঠনের অতীত সংগ্রাম ও ত্যাগের স্মৃতিচারণ করেন। বক্তারা আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার করেন। দিনব্যাপী এই আয়োজনে পরিচয় পর্ব ও মধ্যাহ্নভোজের পর এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ঈদ পুনর্মিলনী উৎসবটি শেষ হয়।