নিজস্ব প্রতিবেদক - নোয়াখালী
মিষ্টি কথার জাদুতে মানুষকে ভুলিয়ে সর্বস্ব লুটে নেওয়ায় তার বিশেষ খ্যাতি ছিল। চার মামলায় সা/জা/প্রাপ্ত হওয়ার পর গত চার মাস ধরে তিনি ছিলেন পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে। অবশেষে সুকৌশলী সেই প্র/তা/রক ইউসুফ জামালকে (৪৮) গ্রে/ফ/তার করেছে নোয়াখালীর চরজব্বর থানা পুলিশ।
গত ১লা এপ্রিল রাজধানী ঢাকার উত্তরার দক্ষিণখান এলাকার একটি গো/পন আস্তানা থেকে তাকে গ্রে/ফ/তার করা হয়। পরদিন তাকে মাইজদী জেলা জজ আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ঘটনার সূত্রপাত ২০১৭ সালে। লন্ডন প্রবাসী শাহাদাত হোসেনের কাছ থেকে তিন মাসের মধ্যে ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ৬৫ লক্ষ টাকা ধার নেন ইউসুফ জামাল। কিন্তু সময় গড়িয়ে বছর পার হলেও তিনি টাকা ফেরত দিচ্ছিলেন না। প্রায় দুই বছর নানা টালবাহানার পর ২০১৯ সালে ভুক্তভোগীকে সমপরিমাণ অর্থের চারটি চেক প্রদান করেন তিনি। কিন্তু সেই চেকগুলো ব্যাংকে জমা দিলে ডিজঅনার হয়, যা ছিল মূলত তার প্রতা/রণারই অংশ।
মা/ম/লার রায় ও পলাতক জীবন
প্রতা/রণার শিকার হয়ে শাহাদাত হোসেন ২০২০ সালে মাইজদী ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে মা/মলা দায়ের করেন। মা/মলাটি পরবর্তীতে জেলা দায়রা জজ আদালতে স্থানান্তরিত হয়। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর আদালত ইউসুফ জামালের বিরু/দ্ধে রায় প্রদান করেন।
চারটি চেকে জালি/য়াতির দায়ে তাকে মোট তিন বছর ১০ মাসের কা/রা/দণ্ড প্রদান করা হয়। রায়ের পর থেকেই ইউসুফ জামাল আত্ম/গোপনে চলে যান। দীর্ঘ চার মাস পলা/তক থাকার পর প্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ তার অবস্থান শনাক্ত করে তাকে ধরতে সক্ষম হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইউসুফ জামাল একজন পেশাদার প্রতা/রক।
২০২০ সালেও চেক জা/লি/য়াতির মা/ম/লায় সমন জারি হওয়ার পর তিনি আদালতে হাজির হননি, যার ফলে সে সময়ও তাকে গ্রে/ফ/তার করতে হয়েছিল।
তার বি/রুদ্ধে বর্তমানে চরজব্বর থানায় প্রতা/রণার একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
চরজব্বর থানা পুলিশ জানায়, সাজা/প্রাপ্ত এই আসা/মিকে গ্রেফ/তারের মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের দীর্ঘদিনের ন্যায়বিচারের অপেক্ষা শেষ হলো। তার বিরুদ্ধে থাকা অন্যান্য অভিযোগগুলোও গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।