আন্তর্জাতিক ডেস্ক
মধ্যপ্রাচ্যের সং/ঘা/ত এক নতুন ও ভ/য়া/বহ মোড় নিয়েছে। কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ও সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে বড় ধরনের ক্ষে/প/ণাস্ত্র হা/ম/লা চালিয়েছে ইরান। এই নজিরবিহীন হা/ম/লায় ওই অঞ্চলের নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চরম অস্থিরতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইরানের হা/ম/লায় দেশগুলোর প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্রগুলো মা/রা/ত্মকভাবে ক্ষ/তি/গ্রস্ত হয়েছে:
কাতার: রাস লাফান এলাকার প্রধান গ্যাস স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় কাতার কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং সে দেশে নিযুক্ত ইরানের নিরাপত্তা ও সামরিক কর্মকর্তাদের অনতিবিলম্বে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত: আবুধাবির হাবশান গ্যাস স্থাপনা লক্ষ্য করে হাম/লার পর সেটি আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
সৌদি আরব: দেশটির দুটি তেল শোধনাগারে হামলা নিশ্চিত করেছে রিয়াদ। সৌদি কর্তৃপক্ষের মতে, এই হাম/লার মাধ্যমে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আস্থার জায়গাটি পুরোপুরি ধ্বং/স হয়ে গেছে।
এই পাল্টাপাল্টি হা/ম/লার সূত্রপাত হয় যখন ইসরায়েল ইরানের উত্তরাঞ্চলীয় বন্দর শহর বান্দার আনজালি এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে আক্রমণ চালায়।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান এই পরিস্থিতির ভয়া/বহতা নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এই সং/ঘাত বর্তমানে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে, যা পুরো বিশ্বকে এক ভয়া/বহ সংকটে জড়িয়ে ফেলতে পারে।
জ্বালানি স্থাপনায় হাম/লার পাশাপাশি ইরান ইসরায়েলের অভ্যন্তরেও ক্ষে/প/ণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, তেল আবিব এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরের বিভিন্ন স্থানে চালানো এই হাম/লায় অন্তত চারজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে পুরো মধ্যপ্রাচ্য এখন যু/দ্ধা/বস্থার মধ্যে রয়েছে, যা বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।