ফরিদপুর প্রতিনিধি:
পত্রিকার নাম, নিবন্ধন নম্বর ও লোগো অবৈ/ধভাবে ব্যবহার করে জালি/য়াতি এবং ভু/য়া বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অভিযোগে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতে মাম/লা দায়ের করা হয়েছে। ফরিদপুরের বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোতোয়ালী আমলী আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে অপ/রাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
গত সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ফরিদপুর শহরের রঘুনন্দনপুর এলাকার বাসিন্দা এবং ‘দৈনিক আজকের সারাদেশ’ (রেজি নং-৫৬৮)-এর সম্পাদক ও প্রকাশক সৈয়দ নাজমুল আলম (৪৬) বাদী হয়ে মাম/লাটি করেন। মা/মলায় গোয়ালচামট এলাকার মৃ/ত শেখ মানিকের ছেলে শেখ ফয়েজ আহমেদ (৫০)-কে একমাত্র আসা/মি করা হয়েছে। মাম/লাটি মুদ্রণযন্ত্র ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধন) আইন ১৯৭৩-এর ৫, ৬, ৭, ৩১ ও ৩২ ধারায় রুজু করা হয়।
নালিশি আরজিতে উল্লেখ করা হয়, আসা/মি অসৎ উদ্দেশ্যে প্রকাশকের অনুমতি ছাড়াই পত্রিকার নাম ও রেজি নম্বর ব্যবহার করে নিজেকে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে দাবি করেন। তিনি ২৭/০৭/২০২৩ তারিখে ৫৫১ নম্বর অ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে পত্রিকার মালিকানা হস্তান্তরের ভু/য়া দাবি করে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে এই বিভ্রান্তিকর দরখাস্তটি জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে প্রেরণ করা হয়। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও পত্রিকার নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে ভু/য়া পেজের মাধ্যমে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।
আরজিতে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তি বৈষম্যবিরোধী জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার ওপর হাম/লা ও হ/ত্যা/চেষ্টা মাম/লার এজাহারনামীয় আ/সামি এবং তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অপ/রাধমূলক মা/মলা রয়েছে।
বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট তৌহিদুল ইসলাম স্টালিন জানান, মুদ্রণযন্ত্র ও প্রকাশনা আইন লঙ্ঘন করে প্র/তারণার মাধ্যমে জালি/য়াতি করা একটি গুরুতর ফৌজদারি অপ/রাধ। বিজ্ঞ আদালত বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়ে সিআইডিকে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। তদন্তের মাধ্যমে সত্য উন্মোচিত হবে এবং আসা/মি উপযুক্ত শা/স্তি পাবেন বলে তাঁরা আশাবাদী।