প্রিন্ট এর তারিখঃ নভেম্বর ৪, ২০২৬, ৭:০২ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুন ৪, ২০২৬, ১১:৪৯ এ.এম
ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবায় বাংলাদেশ: খুলনায় চালু হচ্ছে ‘ই-হেলথ কার্ড’

নিজস্ব প্রতিবেদক - ঢাকা
ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডের সফলতার পর এবার দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য 'হেলথ কার্ড' বা 'ই-হেলথ কার্ড' চালু করতে যাচ্ছে সরকার। জুলাই মাস থেকেই প্রথম ধাপে দেশের ৫টি জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে এই সেবা চালু হতে যাচ্ছে। এই কার্ডের মাধ্যমে নাগরিকেরা সরকারি ও নির্ধারিত হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় বিশেষ ছাড়সহ নানা সুযোগ-সুবিধা পাবেন।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহারে স্বাস্থ্য খাতের এই যুগান্তকারী প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার পর বর্তমান সরকার এটি বাস্তবায়নের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
প্রথম ধাপে থাকছে যে ৫ জেলা প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী জুলাই মাস থেকে প্রথম ধাপে দেশের ৫টি জেলায় এই সেবা চালু হবে। জেলাগুলো হলো-বগুড়া,সিরাজগঞ্জ,খুলনা,নরসিংদী,নোয়াখালী প্রথম ধাপের সফলতার ওপর ভিত্তি করে পর্যায়ক্রমে এই ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা দেশজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়া হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছ
এটি মূলত একটি ইলেকট্রনিক কার্ড, যা প্রতিটি রোগীর জন্য আলাদা একটি 'ইউনিক আইডি' হিসেবে কাজ করবে।
-
ডিজিটাল মেডিকেল রেকর্ড: রোগীর চিকিৎসা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য, আগের রোগ এবং প্রেসক্রিপশন এই কার্ডে ডিজিটাল ফরম্যাটে সংরক্ষিত থাকবে।
-
সহজ রোগ নির্ণয়: হাসপাতালে গিয়ে কার্ড পাঞ্চ করলেই চিকিৎসকেরা রোগীর পুরোনো সব মেডিকেল হিস্ট্রি বা রোগের ইতিহাস তাৎক্ষণিকভাবে জানতে পারবেন।
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার জানান, এই কার্ডের অন্যতম বড় সুবিধা হলো পরীক্ষা-নিরীক্ষায় বিশেষ ছাড়। তিনি বলেন:"চিকিৎসা সেবা নিতে গেলে সাধারণ মানুষকে শুরুতেই অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হয়, যা বেশ ব্যয়বহুল। আমরা চেষ্টা করছি কার্ডধারী নাগরিকেরা যেন নির্ধারিত কিছু বেসিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা বছরে অন্তত একবার সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করতে পারেন। মূলত স্বাস্থ্যসেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।"স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে বলেন, এটি নির্বাচনী ইশতেহারেরই অংশ ছিল। প্রধানমন্ত্রী নিজে এই প্রকল্পের অগ্রগতি দেখভাল করছেন এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো দ্রুত গতিতে কাজ করছে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ও সতর্কতা-সরকারের এই ডিজিটাল উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তবে যুক্তরাজ্যের মতো উন্নত দেশ বা প্রতিবেশী ভারতের স্বাস্থ্যখাতে ডিজিটাল সেবা চালুর ক্ষেত্রে যেসব জটিলতা বা ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা রয়েছে, সেখান থেকে শিক্ষা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন।
তিনি মনে করেন, আন্তর্জাতিক মডেলগুলোর ভালো-মন্দ দিক বিবেচনা করে দেশের বাস্তবতায় এটি দ্রুত শুরু করা উচিত এবং কাজের অভিজ্ঞতার আলোকেই পরবর্তীতে সংশোধন করা সম্ভব। একই সাথে এই সেবার সুফল প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা এবং হাসপাতালগুলোকে সুনির্দিষ্টভাবে প্রস্তুত (ডেডিকেটেড) করার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।
উপদেষ্টা মন্ডলী-এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পি, প্রকাশক-ডিকে মন্ডল, সম্পাদক -ডাঃ খাঁন মোঃ শফিকুল ইসলাম,সহ-সম্পাদক-ডাঃ মোঃ আনিসুজ্জামান,আইন বিষয়ক সম্পাদক-এ্যাড.মুজাহিদুল ইসলাম, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক -ডাঃ বিজন বিশ্বাস, রেজিস্ট্রেশন নং-খুলনা-৪৬৫,অফিস ৩০০/১খানজাহান আলী রোড়,খুলনা।বানিজ্যিক কার্যালয় -রূপসা সদর,খুলনা।০১৮১৯-০১৬৩৪২।