গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি- গোপালগঞ্জে বিদেশে উচ্চ বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে মানব পাচারের অভিযোগে চ/ক্রে/র মূলহোতা মন্টু মল্লিককে (৬০) গ্রে/প্তা/র করেছে পুলিশ। বুধবার (১৮ মার্চ ২০২৬) সদর থানার পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে নিজড়া ইউনিয়নের বটবাড়ী গ্রাম থেকে তাকে গ্রে/প্তা/র করে। মন্টু মল্লিক ওই গ্রামের মৃ/ত চাঁন মল্লিকের ছেলে।
পুলিশ ও মা/ম/লার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২০ মার্চ ভালো কাজের আশায় ৬ লক্ষ টাকা খরচ করে সৌদি আরবে পাড়ি জমান রমজান আলী খন্দকার। মা/ম/লার বাদী লালচাঁন খন্দকারের অভিযোগ, মন্টু মল্লিক ও তার সহযোগীরা রমজানকে সৌদি আরব পাঠানোর পর সেখানে অন্যত্র বিক্রি করে দেয়। বর্তমানে রমজান সৌদি আরবের একটি কা/রা/গারে বন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন বলে দাবি করেছে তার পরিবার।
এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার মানব পাচার ও অভিবাসী চো/রা/চালান প্রতিরোধ দমন অধ্যাদেশ ২০২৬-এর আওতায় একটি মা/ম/লা দায়ের করেন (মামলা স্মারক নং- ১৪৭)। ওই মা/ম/লার ভিত্তিতেই এসআই নাগির সাকিল ও তার দল অভিযান চালিয়ে প্রধান আ/সা/মিকে গ্রে/প্তা/র করতে সক্ষম হন।
চ/ক্রের অন্যান্য সদস্যরা মা/ম/লায় মন্টু মল্লিক ছাড়াও আরও বেশ কয়েকজনকে আ/সা/মি করা হয়েছে। তারা হলেন:ডালিম মল্লিক (৩৫)নাজমুল মল্লিক (৩২)
নদী বেগম (২৬)রোমেচা বেগম (৫০)হালিমা বেগম
আ/সা/মিদের প্রত্যেকের বাড়ি সদর উপজেলার বটবাড়ী গ্রামে। তারা দীর্ঘদিন ধরে সং/ঘবদ্ধভাবে এই পা/চার চক্র পরিচালনা করে আসছিল বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
স্থানীয়রা জানান, মন্টু মল্লিক ও তার চ/ক্রটি গ্রামের সহজ-সরল মানুষকে টার্গেট করে বিদেশে পাঠানোর নামে টাকা হাতিয়ে নেয়। ইতিপূর্বে একাধিকবার সালিশ-বৈঠক হলেও তারা কর্ণপাত করেনি। এদিকে, একমাত্র ছেলের বন্দি হওয়ার খবরে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন রমজানের মা। কান্নায় ভেঙে পড়ে তিনি তার সন্তানকে সুস্থ অবস্থায় দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
পুলিশ জানায়, গ্রে/প্তা/রকৃত মন্টু মল্লিককে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রে/প্তা/রেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।