নিজস্ব প্রতিবেদক :
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ১৩ নং নিজড়া ইউনিয়নের উত্তরপাড়া চৌদ্দপার কান্দি ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় দু’পক্ষের সংঘ/র্ষে অন্তত ১৩ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গত ১০ মে ২০২৬ ইং, রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কামরুল খানের বাড়ির সামনে এ সং/ঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব বিরোধের জেরে এ সং/ঘর্ষের সূত্রপাত হয়। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে কামরুল খানের ছেলে হ/ত্যা মাম/লাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল।মাম/লার আসা/মি মেহেদী মেম্বারের ছোট ভাই সোহাগের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, কামরুল খানকে মা/মলা তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ ও ভ/য়/ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছিল। তবে তিনি তার সন্তান হ/ত্যা/র বিচার দাবিতে মাম/লা প্রত্যাহার করতে অস্বীকৃতি জানান।
ঘটনার দিন সন্ধ্যায় গরমের কারণে কামরুল খান বাড়ির সামনে কালভার্ট ব্রিজের ওপর বসে ছিলেন। এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজন তার ওপর অতর্কিত হা/মলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। পরে তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সং/ঘর্ষ বেধে যায়।
সংঘ/র্ষে কামরুল খানের ভাই, ভাতিজাসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৩ জন আহত হন। আহতদের গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করে জানায়, স্থানীয় মেম্বার মেহেদী খান ও তার অনুসারীরা এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। তাদের বিরুদ্ধে ৫ আগষ্টের আর্মীর গাড়ী ভাংচুর সহ বিভিন্ন অপ/রাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগও রয়েছে বলে দাবি পরিবারের সদস্যদের। এছাড়া মারা/মারির সময় কামরুল খানের ছেলে নোমানের কাছ থেকে ধান বিক্রির প্রায় তিন লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।
এদিকে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মা/দক ব্যবসার অভিযোগও তুলেছেন ভুক্তভোগীরা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।