উজ্জ্বল মুন্সি, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি: দক্ষিণাঞ্চলের মা/দক সম্রাজ্ঞী হিসেবে পরিচিত বরগুনার আমতলী উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের ঘটখালী গ্রামের বহুল আলোচিত চম্পা বেগমকে অবশেষে গ্রে/ফতার করেছে আমতলী থানা পুলিশ। দীর্ঘদিনের চেষ্টার পর তাকে গ্রে/ফতার করতে সক্ষম হওয়ায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে।
চম্পা বেগম বরগুনা ও পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন এলাকায় মা/দক, দেহ ব্যব/সাসহ নানা অপ/রাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ইতিপূর্বে তাকে গ্রে/ফতারের জন্য একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করা হলেও তিনি প্রতিবারই ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গেছেন।
গ্রামে থেকেও অপ/রাধ জগৎ নিয়ন্ত্রণে আধুনিক সকল প্রযুক্তি তিনি কাজে লাগাতেন। তার বাড়িতে রয়েছে একাধিক সিসি ক্যামেরা। এছাড়াও তার অ/বৈধ কার্যক্রম নির্বিঘ্নে পরিচালনার জন্য বিভিন্ন এলাকার অপ/রাধীদের নিয়ে একাধিক টিম সবসময় সক্রিয় থাকতো।
চম্পা বেগম উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের ঘটখালী গ্রামের মৃত আঃ হক বিশ্বাসের মেয়ে।
সূত্র মতে, দীর্ঘদিন থেকে চম্পাকে গ্রেফ/তারের জন্য আমতলী থানা পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে শেষমেশ ২৭/১০/২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা অনুঃ ০৭.০০ ঘটিকার সময়ে তাকে গ্রেফ/তার করতে সক্ষম হয়।
আমতলী থানার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা যায়, চম্পার বিরুদ্ধে মাদ/কদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ০৭টি মামলা রয়েছে।
এ বিষয়ে আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইয়াকুব হোসাইন বলেন, আমরা মাদ/কের বিরুদ্ধে জিরো টোলারেন্স নীতিতে কাজ করছি। মাদ/কের সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তি যতই শক্তিশালী হোকনা কেন তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসবো। এজন্য আমরা মা/দক ক্রয় বিক্রয়ের গডফাদার, মদদদাতা, পৃষ্ঠপোষকতাকারী ও সহায়তাকারীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। সেই সাথে তিনি মাদ/ক কারবারি ও সহায়তাকারীদের তথ্য দিয়ে সহায়তা করার জন্য উপজেলার প্রতিটি নাগরিকদের কাছে অনুরোধ জানান।
এদিকে চম্পার গ্রেফ/তারের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় মিষ্টি বিতরণসহ এলাকাবাসী আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠেন। এলাকাবাসী তাকে রিমান্ডে এনে মাদ/কসহ তার অপ/রাধ জগতের সকল তথ্য বের করে সে অনুযায়ী সকল অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।